
শেষ আপডেট: 8 September 2020 18:30
প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তায় এসপিজি গ্রুপ[/caption]
জেড প্লাস হল সর্বোচ্চ শ্রেণির নিরাপত্তা বলয়। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই শ্রেণির সুরক্ষা পান। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য থাকে স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (এসপিজি)। ১৯৮১ সালের আগে দেশের প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকত দিল্লি পুলিশের স্পেশাল টিম যার নেতৃত্বে থাকতেন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (ডিসিপি)। পরে ইনটেলিজেন্স ব্যুরোর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষার জন্য স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) তৈরি করা হয়। ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পরে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ১৯৮৫ সাল তৈরি হয় স্পেশাল প্রোটেকশন ইউনিট (এসপিইউ) যা পরবর্তীকালে স্পেশাল অপারেশ গ্রুপ নামে পরিচিত হয়। আইপিএস, সিআরপিএফ অফিসাররা এই গ্রুপে থাকেন।
[caption id="" align="aligncenter" width="676"]
জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা[/caption]
এসপিজি-র পরে জেড প্লাস ক্যাটেগরির হল সর্বোচ্চ শ্রেণির নিরাপত্তা বলয়। কেন্দ্রীয় স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধী এই শ্রেণির নিরাপত্তা পান। সশস্ত্র পুলিশ ও কম্যান্ডো মিলিয়ে ৫৫ জনের টিম রয়েছে এই ক্যাটেগরিতে যার মধ্যে রেলওয়েল প্রোটেকশন ফোর্স (আরপিএফ), ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ, ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের ১০ জন কম্যান্ডো ও স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকরা ভিআইপি ও ভিভিআইপিদের এই শ্রেণির সুরক্ষা দিয়ে থাকেন। এর আগে কলকাতা পুলিশের কমিশনার রাজীব কুমারকেও জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পঞ্জাবের প্রাক্তন ডিজি প্রয়াত কেপিএস গিল, ‘সুপার কপ ’ হিসাবে খ্যাত জুলিও ফ্রান্সিস রিবেইরো এবং দিল্লি পুলিশের প্রখ্যাত এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট নিহত রাজবীর সিংও একই ক্যাটেগরির সুরক্ষা পেতেন৷
জেড সিকিউরিটির দায়িত্বে থাকেন ৩০ জন আধিকারিক। যার মধ্যে এনএসজির চার থেকে পাঁচ জন কম্যান্ডোও থাকেন। আইটিবিপি ও সিআরপিএফের কম্যান্ডোরাও এই গ্রুপে পড়েন। জেড ক্যাটেগরির সুরক্ষা যাঁরা পান তাঁরা যেখানেই যাবে ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ছাড়াও অন্তত ২০-২২ জন সশস্ত্র পুলিশ অফিসার ও কম্যান্ডো তাঁদের ঘিরে থাকবেন। দেওয়া হবে পাইলট কারের সুবিধাও।
ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরিতে থাকেন পাঁচজন সিআরপিএফ অফিসার, একজন সিআরপিএফ কম্যান্ডার ও চারজন কনস্টেবল। তাছাড়া ৬ জন পার্সোনাল সিকিউরিটি অফিসারকেও (পিএসও) মোতায়েন করা হয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিরাপত্তার দায়িত্বে। এই ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরা সর্বক্ষণ ঘিরে থাকেন। তিনটি শিফটে পালা করে দু’জন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকেন।
ওয়াই শ্রেণির সুরক্ষা বলয়ে থাকেন মোট আটজন নিরাপত্তারক্ষী। যার মধ্যে একজন কম্যান্ডার ও চারজন কনস্টেবল মিলিয়ে পাঁচজন সর্বক্ষণ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাড়িতে মোতায়েন থাকেন। বাইরে বের হলে তিনজন সশস্ত্র পার্সোনাল সিকিউরিটি অফিসার পালা করে তাঁর সুরক্ষার দায়িত্বে থাকেন।
এক্স ক্যাটেগরিতে কোনও কম্যান্ডো থাকেন না। ২ জন সশস্ত্র পুলিশ অফিসার সর্বক্ষণের জন্য পাহারায় থাকেন। তবে এই শ্রেণির নিরাপত্তায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাড়িতে বা আবাসনে কোনও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় না। বাইরে গেলেই সশস্ত্র পুলিশ কর্তারা সুরক্ষার জন্য পাশে থাকেন।