Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য করতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশু

জীবনকৃষ্ণের জেল হেফাজত, ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শ্রীঘরে থাকতে হবে তৃণমূল বিধায়ককে

আদালত তাঁকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শ্রীঘরে থাকতে হবে নিয়োগ অভিযুক্ত বিধায়ককে।

জীবনকৃষ্ণের জেল হেফাজত, ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শ্রীঘরে থাকতে হবে তৃণমূল বিধায়ককে

জীবনকৃষ্ণ সাহা

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 30 August 2025 13:44

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৬ দিনের ইডি হেফাজত শেষে শনিবার আদালত পেশ করা হয়েছিল নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (Recruitment Scam) অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA) জীবনকৃষ্ণ সাহাকে (Jiban Krishna Saha)। আদালত তাঁকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শ্রীঘরে থাকতে হবে নিয়োগ অভিযুক্ত বিধায়ককে। ওই দিন জীবনকৃষ্ণকে সশরীরে আদালতে পেশ করতে হবে বলে নির্দেশ।

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Recruitment Scam) গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কান্দির আন্দি গ্রামে তাঁর বাড়িতে গত সোমবার সকালে অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের দেখেই পিছনের দরজা দিয়ে পালাতে যান তিনি। এমনকী ধরা পড়ার আগে নিজের মোবাইল ফোনও ঝোপে ফেলে দেন বলে দাবি ইডির।

ইডি সূত্রে জানা যায়, জীবনকৃষ্ণ সাহা মুর্শিদাবাদ ছাড়াও দুই দিনাজপুর, মালদহ ও বীরভূমে চাকরি বিক্রির একটি বিশাল “সাম্রাজ্য” চালাতেন। ১৫ জন এজেন্ট এবং তাদের মাধ্যমে প্রায় ৫০ জন সাব-এজেন্টকে কাজে লাগিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হতো। ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে তাঁর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা জমা হয়েছে বলে ধারণা ইডি’র। বিধায়ক হওয়ার পর সম্পত্তির পরিধিও বেড়েছে, ২০১৯-২০ থেকে ২০২২-২৩ পর্যন্ত একের পর এক বেনামি সম্পত্তি কেনা হয়েছে ঘনিষ্ঠদের নামে।

যদিও শনিবার আদালতে তোলার আগে জীবনকৃষ্ণ সংবাদমাধ্যমে দাবি করেন, তিনি মোবাইল ফোন ছুড়ে ফেলেননি। যে সম্পত্তি নিয়ে এত হইচই, সেটা তিনি দশ বছর ধরে ব্যবসা করে তিলে তিলে তৈরি করেছেন।

ইতিমধ্যে জীবনের স্ত্রী টগরী সাহা (Tagari Saha) এবং পিসি মায়ারানি সাহাকেও (Mayarani Saha) জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। অভিযোগ, একাধিক প্রার্থীর কাছ থেকে চাকরির নামে টাকা নেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। সেই টাকা দিয়ে তিনি বিভিন্ন জমি ও বাড়ি কিনেছেন এবং স্ত্রী টগরী সাহার অ্যাকাউন্টেও নগদ টাকা জমা করেছেন। শুধু তাই নয়, জীবনের পিসি মায়ারানিও এই দুর্নীতির টাকা ভাগ পেয়েছেন বলে দাবি।

জীবনকৃষ্ণর পিসিকে ইডি তলবও করেছিল। সূত্রের খবর, প্রয়োজনে পিসি-ভাইপোকে মুখোমুখি বসিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। 


```