
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 14 January 2025 11:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মেদিনীপুরের স্যালাইন কাণ্ডে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। স্পষ্ট বলা হয়েছে, কেউ দোষ করে থাকলে রেয়াত করা হবে না। এই ঘটনার পর তৎপরতা দেখাচ্ছে রাজ্যের অন্য সরকারি হাসপাতালগুলিও। যেমন জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ইতিমধ্যে ২৩ হাজারের বেশি রিঙ্গার ল্যাকটেট স্যালাইনের বোতল বাতিল করে দিয়েছে। তবে রোগীদের সুবিধার্থে ব্যবস্থাও করেছে কর্তৃপক্ষ।
রিঙ্গার ল্যাকটেট আদতে শরীরে ফ্লুইড বা জলের অভাব পূরণ করে। সাধারণত ফ্লুইড কমে গেলে যে সমস্ত উপাদানের প্রয়োজন তা সব স্যালাইনে থাকে না। কিন্তু রিঙ্গার ল্যাকটেট ব্যতিক্রম। তাতে সেইসব উপাদান থাকে বলেই ব্যবহার করা হয়। এই কারণে যে কোনও হাসপাতালেই এই স্যালাইনের প্রয়োজনীয়তা থাকে বেশি মাত্রায়। তাই জলপাইগুড়ি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীদের জন্য ফেয়ার প্রাইস শপ থেকে বিরাট ছাড়ে এই স্যালাইন কেনার ব্যবস্থা করেছে।
ফেয়ার প্রাইস শপ থেকে রোগীর আত্মীয়রা ৮০ শতাংশ ছাড়ে অন্য কোম্পানির স্যালাইন কিনতে পারবেন। ২৩ হাজার বোতলের বেশি রিঙ্গার ল্যাকটেট স্যালাইন বাতিল করার পর স্বাভাবিকভাবেই হাসপাতালে স্যালাইনের চাহিদা বাড়বে। সে কারণে অত্যন্ত কম দামে অন্য কোম্পানির স্যালাইন কেনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৮০ শতাংশ ছাড় হওয়ায় যে স্যালাইনের বোতলের দাম ১২০ টাকার বেশি, তা ১৫-২০ টাকায় পাচ্ছেন রোগীর পরিবার।
সরকারের নির্দেশে ওই কোম্পানির স্যালাইন সব হাসপাতালই ব্যবহার করা বন্ধ করছে। কিন্তু প্রতিদিন গড়ে ৬০-৭০ বোতল স্যালাইন লাগেই হাসপাতালে। তার জোগান কীভাবে আসবে, সেই নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। চিকিৎসক মহলের অবশ্য বক্তব্য, যে স্যালাইন নিয়ে বিতর্ক হয়েছে তা একটি ব্র্যান্ডের একটি বিশেষ ব্যাচের স্যালাইন। আর এই স্যালাইন তৈরি করে এমন বহু ব্র্যান্ড রয়েছে। তাই অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।