ট্রেন মেদিনীপুর স্টেশনে ঢোকার আগে টয়লেটে যান সোহমের মা। ফিরে এসে তিনি ছেলেকে সিটে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সেই সময়ে তাঁকে অন্যান্য যাত্রীরা বলেন, সোহমকে তাঁরা দরজার কাছে যেতে দেখেছিলেন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁকে দেখতে পাননি মা।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 29 October 2025 13:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) এক পড়ুয়ার (Student) রহস্যমৃত্যু (Death)। মায়ের সঙ্গে ট্রেনে করে বাড়ি ফেরার সময়ে কংসাবতী নদীতে (Kangsavati River) ঝাঁপ দেয় সে! মৃত ছাত্রের নাম সোহম পাত্র (২০)।
বাঁকুড়ার বাসিন্দা সোহম ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। বুধবার সকালে মেদিনীপুরের কাঁসাই হল্ট সংলগ্ন নদী থেকে দেহ উদ্ধার করে রেল ও জেলা পুলিশ।
মঙ্গলবার বিকেলে মায়ের সঙ্গে বাঁকুড়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন সোহম। তাঁরা হাওড়া-আদ্রা শিরোমণি এক্সপ্রেসে করে ফিরছিলেন। ট্রেন মেদিনীপুর স্টেশনে ঢোকার আগে টয়লেটে (Toilet) যান সোহমের মা। ফিরে এসে তিনি ছেলেকে সিটে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সেই সময়ে তাঁকে অন্যান্য যাত্রীরা বলেন, সোহমকে তাঁরা দরজার কাছে যেতে দেখেছিলেন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁকে দেখতে পাননি মা।
এরপরই সোহমের নিখোঁজ হওয়ার খবর নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন মহিলা। তারপর রাতেই রেল পুলিশের পক্ষ থেকে নদীতে তল্লাশি শুরু হয়, কিন্তু দেহ মেলেনি। বুধবার সকালে স্থানীয়রা কাঁসাই হল্টের কাছে রেলব্রিজের নীচে নদীতে সোহমের দেহ ভাসতে দেখেন।
রেল পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ট্রেনের দরজায় দাঁড়িয়ে টাল সামলাতে না পেরে নদীতে পড়ে যান সোহম। তবে আত্মহত্যার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে।
এদিকে সোহমের মা-বাবা জানিয়েছেন, সে পড়াশোনায় ভাল ছিল। তৃতীয় বর্ষে ছিল তাই র্যাগিং বা শত্রুতার প্রশ্ন নেই। তবে তাঁরা মনে করছেন, সোহম আত্মহত্যা করেছে।
পুলিশ এখন ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে। সেটি এলেই স্পষ্ট হবে, কীভাবে মৃত্যু হয়েছে সোহমের।