বিস্ফোরণের খবর-ছবি করতে গিয়ে শ্রীলঙ্কায় গ্রেফতার দিল্লির চিত্রসাংবাদিক
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জঙ্গি হামলার পরে বিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কা। গোটা দ্বীপরাষ্ট্র জুড়ই চলছে জঙ্গি দমন অভিযান। সন্দেহজনক আচরণ দেখলেই পাকড়াও করছে পুলিশ। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে খবর জোগাড় করতে গিয়ে ঘোরতর বিপদের মুখে পড়লেন ভারতীয় চিত্রসাংবাদিক সিদ্দি
শেষ আপডেট: 2 May 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জঙ্গি হামলার পরে বিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কা। গোটা দ্বীপরাষ্ট্র জুড়ই চলছে জঙ্গি দমন অভিযান। সন্দেহজনক আচরণ দেখলেই পাকড়াও করছে পুলিশ। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে খবর জোগাড় করতে গিয়ে ঘোরতর বিপদের মুখে পড়লেন ভারতীয় চিত্রসাংবাদিক সিদ্দিকি আহমেদ দানিশ। অভিযোগ, সরকারি অনুমতি ছাড়াই হামলায় বিপর্যস্ত একটি স্কুলে ঢুকে পড়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছিলেন তিনি। প্রশ্নোত্তর পর্ব চলাকালীনই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ। এই মুহূর্তে তাঁকে শ্রীলঙ্কার জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছে।
সংবাদসংস্থা রয়টার্সের হয়ে কাজ করেন সিদ্দিকি। দিল্লিতে তাঁর অফিস। ইস্টার হামলার পরে বিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কার প্রতি মুহূর্তের খবর আপডেটের জন্য দিনকয়েক আগেই পৌঁছে যান কলম্বো। পুলিশ জানিয়েছে, কোনওরকম সরকারি অনুমতিপত্র ছাড়াই খবর সংগ্রহ করা শুরু করেছিলেন সিদ্দিকি। চারদিক ঘুরে ফোটো তুলছিলেন। এমনকি জোরজবরদস্তি নেগোম্বো শহরের একটি স্কুলে ঢুকে পড়ে সেখানকার কর্তৃপক্ষকে প্রশ্ন করাও শুরু করে দিয়েছিলেন। এই খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ ও গোয়েন্দারা। বেআইনি অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় সাংবাদিককে।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, ধরা পড়ার পরে পুলিশকে কোনও বৈধ নথি দেখাতে পারেননি সিদ্দিকি। তাঁকে আপাতত ১৫ মে অবধি জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ২১ এপ্রিল, ইস্টারের সকালে শ্রীলঙ্কায় আটটি ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা। তাতে নারী, পুরুষ এবং শিশু মিলিয়ে ২৫০ জন প্রাণ হারান। সেন্ট সেবাস্টিয়ান গির্জায় বিস্ফোরণে প্রাণ যায় এক স্কুল পড়ুয়ার। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এই পড়ুয়ার সম্পর্কেই খোঁজখবর নিচ্ছিলেন সিদ্দিকি।
শ্রীলঙ্কায় হামলার দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)। হামলার নেপথ্যে নাম উঠে এসেছে সে দেশের জঙ্গি সংগঠন ন্যাশনাল তৌহিদ জামাতেরও (এনটিজে)। ইতিমধ্যেই দেশের নানা প্রান্তে জঙ্গি দমন অভিযানে প্রায় ৬ হাজার সেনাকে মোতায়েন করেছে সরকার। আর কোনও আত্মঘাতী বোমারু লুকিয়ে আছে কি না খুঁজে বার করতে অভিযানে নেমেছে সেনা-পুলিশ যৌথবাহিনী।
আরও পড়ুন:
https://www.four.suk.1wp.in/landfall-of-fani-in-odisha-coast/