দ্য ওয়াল ব্যুরো : সেনাবাহিনীর অস্ত্রশস্ত্রের আধুনিকীকরণে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। সীমান্তে পরিকাঠামো নির্মাণেও খরচ করা হবে আগের তিনগুণ। শুক্রবার লাদাখে সেনাদের বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর কথায়, "ভারত এখন অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নিজেই তৈরি করছে। বিশ্বের নানা দেশ থেকে আধুনিক প্রযুক্তি আনছে সেনাবাহিনীর জন্য। ভারত যদি জলে, স্থলে ও আকাশপথে নিজের শক্তি বাড়াতে পারে তাহলে সামগ্রিকভাবে মানবজাতির কল্যাণ হবে।"
পরে তিনি বলেন, "সীমান্তে এখন দ্রুত সেতু ও রাস্তা বানিয়ে ফেলা হচ্ছে। এখন সেনাবাহিনীর কাছে যে কোনও পণ্য খুব দ্রুত পৌঁছে যায়। সশস্ত্র বাহিনীকে নানাভাবে শক্তিশালী করে তুলছে দেশ।"
শুক্রবার আচমকাই লাদাখ সফরে যান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত ও সেনাপ্রধান এম এম নারাভানে। লাদাখের ফরওয়ার্ড পোস্টে এদিন তিনি সেনাদের সামনে ভাষণ দেন। তাঁদের উদ্দেশে বলেন, ভারত মাতার শত্রুরা আপনাদের বীরত্বের পরিচয় পেয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী সেনাদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের সাহস ও আত্মত্যাগের কোনও তুলনা হয় না। ভারত মাতার শত্রুরা জানে আপনাদের ক্ষমতা কতদূর। যে পর্বতচূড়াগুলি আপনাদের ঘিরে রয়েছে, আপনাদের ক্ষমতা তাদের চেয়েও বেশি। আপনাদের আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তা পাহাড়ের মতোই অটল।
পরে মোদী বলেন, বিশ্বে কঠিনতম পরিস্থিতিতে আপনারা কাজ করছেন। আপনারা একাধিকবার প্রমাণ করেছেন, ভারতের সশস্ত্র বাহিনী বিশ্বের যে কোনও দেশের সেনাবাহিনীর চেয়ে শক্তিশালী। আপনারা যে বার্তা পাঠিয়েছেন, তা সারা বিশ্বে পৌঁছে গিয়েছে।
সম্প্রতি রেডিওতে 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে মোদী বলেন, "যারা লাদাখে ভারতের জমির দিকে নজর দেবে, তারা উপযুক্ত জবাব পাবে।" গালওয়ানে সংঘর্ষের পরে ভারত ও চিনের সেনাবাহিনী কয়েকবার বৈঠকে বসেছে। কিন্তু তাতে কোনও সমাধানসূত্র বেরোয়নি। বরং উপগ্রহচিত্রে দেখা গিয়েছে, সীমান্তে সেনা সমাবেশ ঘটাচ্ছে চিন। কিন্তু মোদী সীমান্তে যাওয়ার পরে চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র বললেন, শান্তির লক্ষে দুই দেশকে কাজ করতে হবে।