নয়া অনলাইন পদ্ধতির পরিসংখ্যান বলছে, গোটা রাজ্যের ১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আবেদন সংখ্যার নিরিখে একচেটিয়া শীর্ষে রয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 12 July 2025 20:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের কলেজে কলেজে স্নাতক স্তরের ভর্তির জন্য কেন্দ্রীয় অনলাইন পোর্টাল চালু হওয়ার পর থেকেই প্রবল সাড়া পড়েছে। নয়া অনলাইন পদ্ধতির পরিসংখ্যান বলছে, গোটা রাজ্যের ১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আবেদন সংখ্যার নিরিখে একচেটিয়া শীর্ষে রয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।
রাজ্য সরকারের উচ্চশিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে জমা পড়েছে ৬,৪৭,৫৮৭টি আবেদন, যা রাজ্যজুড়ে হওয়া মোট ১৯,৩৬,৩২৯টি আবেদনের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি। এক কথায়, রাজ্যের শিক্ষাপ্রেমী তরুণ প্রজন্মের কাছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কদর এখনও অটুট।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরেই রয়েছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় (২,২৪,৫৩৬টি), বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় (২,০৪,২৪৮টি) ও কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় (১,৯৩,৪৭২টি)। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের সংখ্যাও এক লক্ষের ওপরে। অন্য দিকে, বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৫,০৯৬টি, কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৯,৫১৫টি এবং বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৩,০৩২টি আবেদন জমা পড়েছে।
নতুন এবং অপেক্ষাকৃত ছোট বিশ্ববিদ্যালয়গুলি তালিকার নীচের দিকেই। আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে মাত্র ৫,২০৭টি, মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫,০১৪টি এবং রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬,২৮৯টি আবেদন এসেছে। ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্কৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সংখ্যা আরও কম— যথাক্রমে ৭০৮ ও ৬৪৮।
সরকারি এক আধিকারিকের ব্যাখ্যা, ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সংস্কৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব কোনও অধিভুক্ত কলেজ না থাকায় সেখানে আবেদন জমার পরিমাণ কম। মূলত এরা স্বতন্ত্র সংস্থা হিসাবেই কাজ করে।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের এই উত্থানের পিছনে সময়সীমা বৃদ্ধিও একটা বড় কারণ। পূর্ব নির্ধারিত সময় ১ জুলাই থেকে বাড়িয়ে ১৫ জুলাই করায় প্রায় ২০ হাজার নতুন পড়ুয়া নাম নথিভুক্ত করেছেন। শুধুমাত্র এই সময়সীমা বৃদ্ধির জেরে অতিরিক্ত জমা পড়েছে ১.১ লক্ষ আবেদন।
উচ্চশিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, ‘‘১ জুলাই পর্যন্ত মোট ৩,২৫,৩৪২ জন পড়ুয়া ১৮,২৪,৯১৪টি আবেদন জমা দিলেও ১০ জুলাইয়ের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৪১ লক্ষ পড়ুয়া ও ১৯,৩৬,৩২৯টি আবেদন।’’