ধূপগুড়ি, মেটেলি, নাগরাকাটা, ময়নাগুড়ি, মালবাজার, জলপাইগুড়ি সদর এবং সর্বাধিক রাজগঞ্জ — জেলার এই সাতটি ব্লক মিলিয়ে ১৪টি স্কুলে একজনও পড়ুয়া নেই।
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 26 July 2025 16:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পড়ুয়ার অভাবে জেলায় একের পর এক সরকারি জুনিয়র হাইস্কুলে তালা ঝুলছে। জলপাইগুড়ি জেলায় ১৬১টি সরকারি জুনিয়র হাইস্কুলের মধ্যে ১৪টি স্কুল এখন পুরোপুরি পড়ুয়াশূন্য! কোথাও একজন ছাত্রছাত্রীও নেই। আর যে ক’টি স্কুল এখনও খোলা, সেগুলির অধিকাংশেই পড়ুয়ার সংখ্যা দশেরও নীচে।
ধূপগুড়ি, মেটেলি, নাগরাকাটা, ময়নাগুড়ি, মালবাজার, জলপাইগুড়ি সদর এবং সর্বাধিক রাজগঞ্জ — জেলার এই সাতটি ব্লক মিলিয়ে ১৪টি স্কুলে একজনও পড়ুয়া নেই। পাশাপাশি, জলপাইগুড়ি সদরের নয়াপাড়া ও চড়কডাঙি জুনিয়র হাইস্কুলে যথাক্রমে মাত্র দু’জন ও ছ’জন ছাত্রছাত্রী পড়ছে। যার জেরে জেলার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
এ ব্যাপারে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বালিকা গোলের বক্তব্য, “জেলায় মোট ১৬১টি সরকারি জুনিয়র হাইস্কুল রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি স্কুলে কোনও পড়ুয়া নেই। তবে, এসব স্কুল ভবিষ্যতে নতুন করে ছাত্রছাত্রী বা শিক্ষক পেলে আবার চালু হতে পারে।”
তবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফাঁকা হয়ে যাওয়ার পেছনে অভিভাবকদের দিকেও আঙুল তুলেছেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, “সবাই যদি ছেলেমেয়েকে শহরের স্কুলে পাঠাতে চান, গ্রামের স্কুলগুলি চলবে কী করে?”
জেলার নর্থ ও সাউথ সার্কেলের একাধিক স্কুলেও একই ছবি। রানিনগরের সর্দারপাড়া জুনিয়র হাইস্কুল কার্যত বন্ধ। রাখালদেবী গার্লস জুনিয়র হাইস্কুলে রয়েছে মাত্র ছ’জন ছাত্রী।
এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, ফাঁকা হয়ে যাওয়া বিদ্যালয়গুলিকে পুনরুজ্জীবিত করতে নেওয়া হচ্ছে বিশেষ উদ্যোগ। তবে বাস্তবে তেমন কোনও কার্যকর পরিকল্পনার ছাপ এখনও দেখা যাচ্ছে না বলেই মত শহরবাসীর।