Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

জলপাইগুড়িতে পড়ুয়া শূন্য ১৪টি জুনিয়র হাইস্কুল, বন্ধের মুখে আরও একাধিক বিদ্যালয়

ধূপগুড়ি, মেটেলি, নাগরাকাটা, ময়নাগুড়ি, মালবাজার, জলপাইগুড়ি সদর এবং সর্বাধিক রাজগঞ্জ — জেলার এই সাতটি ব্লক মিলিয়ে ১৪টি স্কুলে একজনও পড়ুয়া নেই।

জলপাইগুড়িতে পড়ুয়া শূন্য ১৪টি জুনিয়র হাইস্কুল, বন্ধের মুখে আরও একাধিক বিদ্যালয়

ফাইল ছবি।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 26 July 2025 16:06

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পড়ুয়ার অভাবে জেলায় একের পর এক সরকারি জুনিয়র হাইস্কুলে তালা ঝুলছে। জলপাইগুড়ি জেলায় ১৬১টি সরকারি জুনিয়র হাইস্কুলের মধ্যে ১৪টি স্কুল এখন পুরোপুরি পড়ুয়াশূন্য! কোথাও একজন ছাত্রছাত্রীও নেই। আর যে ক’টি স্কুল এখনও খোলা, সেগুলির অধিকাংশেই পড়ুয়ার সংখ্যা দশেরও নীচে।

ধূপগুড়ি, মেটেলি, নাগরাকাটা, ময়নাগুড়ি, মালবাজার, জলপাইগুড়ি সদর এবং সর্বাধিক রাজগঞ্জ — জেলার এই সাতটি ব্লক মিলিয়ে ১৪টি স্কুলে একজনও পড়ুয়া নেই। পাশাপাশি, জলপাইগুড়ি সদরের নয়াপাড়া ও চড়কডাঙি জুনিয়র হাইস্কুলে যথাক্রমে মাত্র দু’জন ও ছ’জন ছাত্রছাত্রী পড়ছে। যার জেরে জেলার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

এ ব্যাপারে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বালিকা গোলের বক্তব্য, “জেলায় মোট ১৬১টি সরকারি জুনিয়র হাইস্কুল রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি স্কুলে কোনও পড়ুয়া নেই। তবে, এসব স্কুল ভবিষ্যতে নতুন করে ছাত্রছাত্রী বা শিক্ষক পেলে আবার চালু হতে পারে।”

তবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফাঁকা হয়ে যাওয়ার পেছনে অভিভাবকদের দিকেও আঙুল তুলেছেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, “সবাই যদি ছেলেমেয়েকে শহরের স্কুলে পাঠাতে চান, গ্রামের স্কুলগুলি চলবে কী করে?”

জেলার নর্থ ও সাউথ সার্কেলের একাধিক স্কুলেও একই ছবি। রানিনগরের সর্দারপাড়া জুনিয়র হাইস্কুল কার্যত বন্ধ। রাখালদেবী গার্লস জুনিয়র হাইস্কুলে রয়েছে মাত্র ছ’জন ছাত্রী।

এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, ফাঁকা হয়ে যাওয়া বিদ্যালয়গুলিকে পুনরুজ্জীবিত করতে নেওয়া হচ্ছে বিশেষ উদ্যোগ। তবে বাস্তবে তেমন কোনও কার্যকর পরিকল্পনার ছাপ এখনও দেখা যাচ্ছে না বলেই মত শহরবাসীর।


```