এসএসসির (SSC) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের (Recruitment Corruption Scam) ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশ হতেই ‘গরমিল’-এর অভিযোগ তুলে সোমবার দুপুর থেকে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছেন নতুন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ।
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 17 November 2025 18:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এসএসসির (SSC) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের (Recruitment Corruption Scam) ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশ হতেই ‘গরমিল’-এর অভিযোগ তুলে সোমবার দুপুর থেকে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছেন নতুন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ।
তিন ঘণ্টার ডেডলাইন বেঁধে দিয়ে সরকারকে কার্যত চাপে ফেলেছেন তাঁরা। ঠিক সেই সময়েই শিক্ষা দফতরের (Education Department) তরফে স্পষ্ট বার্তা— যোগ্যতা না থাকলে ভেরিফিকেশনের সময়ই বাদ দেওয়া হবে প্রার্থীদের।
এদিকে আন্দোলনের মাঝেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এদিন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষক নিয়োগের পর আরও শূন্যপদ বাড়ানোর বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।
ব্রাত্যের কথায়, “আমরা চায় একজন যোগ্যও বঞ্চিত না হোক। শূন্যপদ বাড়ানো নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। তবে আইনি পরামর্শ না নিয়ে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলছি না।”
এর কিছু পরেই শিক্ষা দফতরের তরফে বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়, তালিকায় কারও গরমিল প্রমাণিত হলে তার নাম বাদ দেওয়া হবে। তবে এখনও অবস্থান চালিয়ে যাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থী নতুন প্রার্থীরা।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, ৬০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর পাওয়া অনেকেই নাকি ইন্টারভিউ কল পাননি। ফুল মার্কস পেয়ে যদি প্রার্থী ইন্টারভিউ তালিকায় না-ওঠেন, তাহলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই— এমনই যুক্তি তাঁদের। অভিজ্ঞতার নম্বর হিসেবে ধার্য ১০ নম্বর বাদ দেওয়ার দাবিও তুলেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। যদিও ব্রাত্য বসু জানান, এই ধরনের কোনও অভিযোগ তাঁর কাছে পৌঁছয়নি।
আন্দোলন, বিতর্ক আর সরকারি আশ্বাস— নিয়োগের লড়াই জারি রাখল চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। সামনে কী সিদ্ধান্ত নেয় SSC ও শিক্ষা দফতর, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজ্যের হাজার হাজার প্রার্থী।