স্বচ্ছতার সঙ্গেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে দাবি করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে কারও কোনও অভিযোগ থাকলে এসএসসির কাছে জানাতে পারেন।

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 17 November 2025 16:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষক নিয়োগের শূন্যপদ (Vacancies,) আরও বাড়ানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu, Deadline)।
বস্তুত, প্রকাশিত তালিকায় নাম না থাকা নিয়ে এদিনই বিকাশভবন অভিযানে নেমেছেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) নতুন চাকরিপ্রার্থীরা। এদিন সেই অবস্থান থেকে সরকারকে ৩ ঘণ্টার ডেডলাইনও (Deadline for government ) বেঁধে দিয়েছেন তাঁরা। অভিজ্ঞতার জন্য দেওয়া ১০ নম্বর বাদ দেওয়ার দাবিও তুলেছেন তাঁরা।
এরই মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়ে বলেন, নতুন এবং পুরনো সকলের ক্ষেত্রেই আমাদের একটাই অনুরোধ নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রসেস চলছে। পুরো প্রক্রিয়াটা সম্পূর্ণ হতে দিন।
ব্রাত্য বলেন, "আমরা চায় না একজনও যোগ্য বঞ্চিত হোক। তাই শূন্যপদ বাড়ানো নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমার প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে। তবে আইনি পরামর্শ ছাড়া এ ব্যাপারে এখনই বিস্তারিত কিছু বলব না।"
নতুন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশের অভিযোগ, পরীক্ষায় ৬০ এ ৬০ নম্বর পেয়েও অনেকে ইন্চারভিউয়ের ডাক পাননি। প্রশ্ন উঠেছে, ফুল মার্কস পেয়েও কেউ যদি ইন্টারভিউয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছতে না পারে, তাহলে এই নিয়োগ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা কোথায়? যদিও ব্রাত্যর দাবি, এমন কোনও বিষয় তাঁর জানা নেই।
স্বচ্ছতার সঙ্গেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে দাবি করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে কারও কোনও অভিযোগ থাকলে এসএসসির কাছে জানাতে পারেন।
ব্রাত্যর দাবি, প্রকাশিত তালিকায় কোনও দাগীর নাম নেই। এখনও নবম-দশমের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাকি আছে। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর যদি দেখা যায় একজন যোগ্যরও নাম বাদ গেছে তাহলে রাজ্য সরকার তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল থাকবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
প্রকাশিতা তালিকায় দুজনের নাম নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। একজন নিজেকে শারীরিকদিক থেকে বিশেষভাবে চাহিদাসম্পন্ন এবং অপরজন যে অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন তা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যে দুটি অভিযোগ এসেছে তার ভেরিফিকেশন হবে, বেনিয়ম হয়ে থাকলে নাম বাদ যাবে।