ফুল মার্কস পেয়েও একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগে ইন্টারভিউ কল পাননি বহু ফ্রেশার। অভিজ্ঞতার জোরে এগিয়ে গেলেন ইন-সার্ভিস শিক্ষকরা। ইংরেজি, বাংলা, অঙ্ক ও ইতিহাসে কাট-অফ নিয়ে চাপানউতরে ক্ষোভ বাড়ছে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 16 November 2025 11:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এগারো- বারোর শিক্ষক নিয়োগে ফের বিতর্ক, পূর্ণ নম্বর পেয়েও চাকরি নয় বহু প্রার্থীর। কাট অফের দেওয়ালে ধাক্কা খেয়েছেন অসংখ্য ফ্রেশার। ইংরেজি, বাংলা, অঙ্ক, ইতিহাস, প্রতিটি মূল বিষয়েই চিত্রটা করুণ। নতুনদের সবচেয়ে বড় ধাক্কা ইংরেজিতে। ইন-সার্ভিস শিক্ষকেরা অভিজ্ঞতার নম্বরের জোরে কম লিখেও বাজিমাত করেছেন, এমনটাই বলছে কমিশনের প্রাথমিক তথ্য। একই ছবি দেখা যাচ্ছে অঙ্ক ও ইতিহাসেও।
পরিসংখ্যান আরও হতবাক করছে। ইংরেজিতে কাট অফ ৭৭, বাংলায় ৭৩, অঙ্কে ৭১ এবং ইতিহাসে ৭৫। অভিযোগ, এই উচ্চ কাট অফের জেরে একাধিক প্রার্থী ফুল মার্কস পেয়েও বাদ পড়েছেন। কমিশন সূত্রের দাবি, মোট ২০ হাজারের সামান্য বেশি প্রার্থীকে ডাকা হয়েছে, তার মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশই ফ্রেশার।
তবে এও ঠিক, ইন-সার্ভিস শিক্ষকদের বড় একটা অংশ একাদশ-দ্বাদশের নথি যাচাই পর্যায়ে ডাক পাননি। কিন্তু আশার কথা, এই গোষ্ঠীর প্রায় ৯০ শতাংশই নবম-দশমের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুযোগ পেতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও নবম-দশমের নথি যাচাই এখনও শুরু হয়নি।
এই মুহূর্তে একাদশ-দ্বাদশ এবং নবম-দশম মিলিয়ে মোট শূন্যপদ ৩৫,৭২৬। তার মধ্যে ১২,৫১৪টি শূন্যপদ শুধু একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির জন্য। শনিবার সন্ধেয় প্রকাশিত হয়েছে একাদশ-দ্বাদশ স্তরের নতুন নিয়োগ প্যানেলের ইন্টারভিউ তালিকা। তারপরই এই বিষয়টি সামনে এসেছে।
এনিয়ে বহু পরীক্ষার্থী রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন, অনেকেই এনিয়ে হতাশ!
উল্লেখযোগ্য, ১৪ সেপ্টেম্বর হয়েছিল একাদশ-দ্বাদশ স্তরের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। আবেদন করেছিলেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার প্রার্থী। তার এক সপ্তাহ আগে, ৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিল নবম-দশমের নিয়োগ পরীক্ষা, যেখানে আবেদনকারীর সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯।
পূর্ণ নম্বর নিয়েও চাকরি নয়, এই তথ্য সামনে আসতেই ক্ষোভ বাড়ছে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে। নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।