Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

বড়দিনের সকালে টাইগার হিলের রাস্তায় বরফ! আনন্দে মাতলেন পর্যটকরা

বড়দিনের সকালে দার্জিলিঙের টাইগার হিলের রাস্তায় শিশির জমে তৈরি হল বরফের আস্তরণ। উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়লেন পাহাড়ে বেড়াতে আসা পর্যটকেরা।

বড়দিনের সকালে টাইগার হিলের রাস্তায় বরফ! আনন্দে মাতলেন পর্যটকরা

এআই দিয়ে তৈরি ছবি

অরণ্যা দত্ত

শেষ আপডেট: 25 December 2025 17:07

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বড়দিনের সকালে রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়ে শীত। উত্তরের পাহাড় থেকে দক্ষিণবঙ্গের সমতল, এক ধাক্কায় নামল পারদ। সঙ্গে বইছে কনকনে উত্তুরে হাওয়া (northerly wind)। ভোররাত থেকেই কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে শহর থেকে গ্রাম। শীতের দাপটে বড়দিনের আমেজ যেন আরও তীব্র।

সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে দার্জিলিং (Darjeeling)। বৃহস্পতিবার ভোরে এখানকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শহরাঞ্চলেও পারদ এসে পৌঁছেছে ৪.৫ ডিগ্রিতে। স্থানীয় সূত্রে খবর, টাইগার হিলের (Tiger Hill) রাস্তায় ভোরে শিশির জমে বরফের পাতলা আস্তরণ পড়ে যায়। চকচকে বরফে মোড়া রাস্তা দেখে উচ্ছ্বসিত হন পর্যটকেরা। তবে আপাতত দার্জিলিঙে তুষারপাতের (snowfall) কোনও পূর্বাভাস নেই। সিকিম (Sikkim) সংলগ্ন এলাকায় বরফ পড়ার সম্ভাবনার কথা বলা হলেও দার্জিলিঙে এখনই সে ইঙ্গিত দিচ্ছে না হাওয়া অফিস।

সিকিম আবহাওয়া দফতর (Sikkim Meteorological Department) আগেই জানিয়েছিল, ২৫ ডিসেম্বর থেকে বছরের শেষ পর্যন্ত সিকিম ও সংলগ্ন উত্তরবঙ্গের সমতলে তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘোরাফেরা করতে পারে। পাহাড়ের উপরের দিকে কোথাও কোথাও পারদ হিমাঙ্কের নীচেও নামতে পারে। বৃহস্পতিবার ভোরে সেই পূর্বাভাসই যেন বাস্তব হল। উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় এক ধাক্কায় বড়সড় পারদপতন হয়েছে।

উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃহস্পতিবার দিনভর কুয়াশার (fog) দাপটের পূর্বাভাস। দার্জিলিঙ, জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri), আলিপুরদুয়ার (Alipurduar), কোচবিহার (Cooch Behar) ও উত্তর দিনাজপুরে (Uttar Dinajpur) জারি রয়েছে ঘন কুয়াশার হলুদ সতর্কতা (yellow alert)। শুক্রবারও এই পরিস্থিতি বজায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে। বেলা বাড়লেও রোদের দেখা মিলবে কম। সকালের দিকে কোথাও কোথাও দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে ২০০ থেকে ৫০ মিটারে। শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, দক্ষিণবঙ্গের পুরুলিয়া (Purulia), পশ্চিম বর্ধমান (Paschim Bardhaman), উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) ও বীরভূমেও (Birbhum) ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষিণবঙ্গও কিন্তু পিছিয়ে নেই। বড়দিনের ভোরে দক্ষিণের ছ’টি জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১০ ডিগ্রির নীচে। সবচেয়ে ঠান্ডা শ্রীনিকেতন (Sriniketan)—৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সিউড়িতে (Suri) ৯ ডিগ্রি, বাঁকুড়ায় (Bankura) ৯.১ ডিগ্রি, বর্ধমানে (Bardhaman) ১০ ডিগ্রি, আসানসোলে (Asansol) ১০.৪ ডিগ্রি এবং বহরমপুরে (Berhampore) ১০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। মেদিনীপুরে (Medinipur) পারদ নেমেছে ১২.৬ ডিগ্রিতে, ব্যারাকপুরে (Barrackpore) ১৩ ডিগ্রি এবং ডায়মন্ড হারবারে (Diamond Harbour) ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কলকাতাও (Kolkata) বাদ যায়নি। বৃহস্পতিবার ভোরে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৮ ডিগ্রি কম। এখনও পর্যন্ত এটাই চলতি মরসুমের শীতলতম দিন। উত্তুরে হাওয়ার দাপটে ঠান্ডার অনুভূতি আরও বেড়েছে। তবু ছুটির আনন্দে ভাটা পড়েনি। সকাল হতেই সোয়েটার-জ্যাকেটে মুড়ে চিড়িয়াখানা (Zoo), ইকোপার্ক (Eco Park) আর সায়েন্স সিটি (Science City)-মুখো শহরবাসী।

হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, আগামী তিন দিনে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমতে পারে। নতুন বছর পর্যন্ত বড়সড় উষ্ণতার সম্ভাবনা নেই বলেই ইঙ্গিত। অর্থাৎ বড়দিনের শুরুতেই শীত বুঝিয়ে দিল—এ বার সে এসেছে পুরো দমে।


```