এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হুমায়ুন কবীর জানান, তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে বহু মানুষ মসজিদের জন্য অর্থ দিচ্ছেন। ব্যাঙ্কে ইতিমধ্যেই ২ কোটি টাকার বেশি জমা পড়েছে।

শেষ আপডেট: 8 December 2025 15:56
মামিনুল ইসলাম, মুর্শিদাবাদ: শনিবার শিলান্যাসের দিন থেকেই বিপুল পরিমাণ টাকা জমা পড়েছে হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) প্রস্তাবিত মসজিদের (Babri Masjid) জন্য। তার পরিমাণ এতটাই যে রবিবার বিকেল থেকে মেশিন এনে গোনা হচ্ছে টাকা। হুমায়ুন কবীরের রেজিনগরের বাড়িতে প্রায় চারঘণ্টা ধরে টাকা গোনা হয়। আজ সোমবারও বিকেলের পর থেকে ফের শুরু হবে টাকা গোনার কাজ।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হুমায়ুন কবীর জানান, তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে বহু মানুষ মসজিদের জন্য অর্থ দিচ্ছেন। ব্যাঙ্কে ইতিমধ্যেই ২ কোটি টাকার বেশি জমা পড়েছে বলে খবর। তিনি বলেন, "আমার সততা নিয়ে যাতে কেউ কোনও প্রশ্ন না করতে পারে তার জন্য আমি সজাগ আছি। কাল সিসিটিভি ক্য়ামেরার সামনেই টাকা গোনার কাজ চলে। পুরো প্রক্রিয়া ফেসবুকে লাইভ করেছি।" আজ সোমবারও বিকেলের নামাজের পর আবার টাকা গোনার কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি।
সূত্রের খবর, রবিবার যে টাকা গণনা করা হয়েছে তাঁর পরিমাণ প্রায় ৩৭ লক্ষ টাকা। হুমায়ুন কবীরের রেজিনগরের বাড়িতে মেশিন এনে টাকা গোনার কাজ শুরু হয়। ১১টি ট্রাঙ্কে এই বিপুল পরিমাণ টাকা রাখা হয়েছে। টাকা গুনতে ৩০ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে।
শনিবার মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় মসজিদের শিলান্যাস করেন হুমায়ুন কবীর। রবিবার নিজে হাতে ইট নিয়ে সেখানে হাজির হয়েছিলেন তিনি। হুমায়ুনের দাবি, মুর্শিদাবাদের সঙ্গে বীরভূম, মালদাতেও মসজিদ তৈরির প্রস্তাব এসেছে। রামপুরহাট, সিউড়ি থেকে কিছু লোক এসে অনুরোধ করেছেন। মালদহ থেকেও অনেকে যোগাযোগ করেছেন। এই দুই জেলাতেই মসজিদের প্রস্তাব বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন হুমায়ুন।
শনিবার বহু বিতর্ক তৈরি করা বাবরি মসজিদের শিলান্যাস অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পর মসজিদ (Babri Masjid) নির্মাণ ঘিরে তোলা প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন বলেছিলেন, “মসজিদ তৈরিতে টাকার কোনও সমস্যা হবে না। রাজ্যের প্রায় সব জেলা থেকেই মানুষ নিজে থেকে টাকা দেবেন।” এও দাবি করেছিলেন, একটি সংস্থা ইতিমধ্যেই ৮০ কোটি টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে, যদিও সেই সংস্থার নাম প্রকাশ করতে চাননি তিনি।