
নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টা, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা
শেষ আপডেট: 20 December 2024 19:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: বাইকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা। বাধা দিলে শ্বাসরোধ করে খুনের চেষ্টা। পরে মারা গেছে ভেবে হাইড্র্যান্টে ফেলে চলে যায় অভিযুক্ত। দুদিন পর স্থানীয়দের সাহায্যে উদ্ধার করা হয় নাবালিকাকে। ২০২১ সালের এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় দোষী সাব্যস্তকে শুক্রবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা শোনাল চন্দননগর আদালত।
মামলার স্পেশাল পিপি অন্নপূর্ণা চক্রবর্তী জানান, ২০২১ সালের ১৫ জুন মোবাইল রিচার্জ করতে বেরিয়েছিল বছর ১৫র নাবালিকা। তার পূর্ব পরিচিত পার্থ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি তাকে বাইকে তুলে নিয়ে যায়। বিবাহিত পার্থ নাবালিকাকে উত্যক্ত করত। তার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দিত।নাবালিকা তাতে রাজি হয়নি।তাই জোর করে তুলে নিয়ে যায়।চন্দননগরের বিলকুলি এলাকার নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
বাধা দিলে গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে মারার চেষ্টা করে। নাবালিকা অচৈতন্য হয়ে পড়লে অভিযুক্ত মনে করে সে মারা গেছে।তখন তাকে একটি নর্দমায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। সেখানেই পড়ে থাকে ওই নাবালিকা। ৪৮ ঘণ্টা পর স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। নাবালিকাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।
পরে ভদ্রেশ্বর থানায় অভিযোগ দায়ের হলে অভিযুক্ত পার্থ চৌধুরীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টা, খুনের চেষ্টা ও অপহরণের মতো ধারায় মামলা রুজু হয়। চন্দননগর আদালতে অ্যাডিশনাল ডিসট্রিক্ট সেশন জাজ মানবেন্দ্র সরকার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষনা হল।অভিযুক্ত পার্থ চৌধুরীর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডের নির্দেশ দেন বিচারক।