
শেষ আপডেট: 26 September 2024 18:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: পকসো মামলায় ২০ বছরের জেল হল অভিযুক্তের। সাজা ঘোষণা করল চন্দননগর আদালত।ভদ্রেশ্বর থানার পুরশ্রী লাইনধার এলাকার এক সাত বছরের নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করে প্রতিবেশী প্রৌঢ়। ভদ্রেশ্বর থানায় অভিযোগ দায়ের হয় ২০১৯ সালের ২০ এপ্রিল। পকসো আইনে মামলা হয় অভিযুক্ত শংকর ব্যাপারীর বিরুদ্ধে। তদন্তের পর পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে। মামলার চার্জ গঠন হয় ২০২০ সালের ৩ অগস্ট। এরপর করোনা সংক্রমণ হওয়ায় মামলার শুনানি বন্ধ ছিল।
বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে ২০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিলেন চন্দননগর আদালতের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক মানবেন্দ্রমোহন সরকার। চন্দননগর পকসো আদালতের স্পেশাল সরকারি আইনজীবী অন্নপূর্ণা চক্রবর্তী জানান, এই মামলায় ১১ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। করোনার জন্য স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা যায়নি। ৩৭৬ এ বি ও পকসো ৬ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয় অভিযুক্ত।
তিনি বলেন, ‘‘যে শিশু ভাল স্পর্শ-খারাপ স্পর্শ বোঝে না, তাকে যৌন নির্যাতন করা হলে আইন তার পথেই বিচার করে।একজন সরকারি আইনজীবী হিসাবে এই ধরনের মামলায় অভিযুক্তের শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারাটাই বড় পাওনা।’’
বৃহস্পতিবারই তিলজলায় ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনায় অভিযুক্তর ফাঁসির সাজা ঘোষণা করে আলিপুর আদালত। বিচারকের পর্যবেক্ষণ, এটি বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে কলকাতার পার্ক সার্কাস সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছিল। শিশুটির এক প্রতিবেশীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার আলিপুরের বিশেষ পকসো আদালতের বিচারক সুদীপ্ত ভট্টাচার্য তাঁর পর্যবেক্ষণে জানান, এটি বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা। শিশুটিকে অমানবিক অত্যাচার করা হয়েছিল। তার নিজেকে বাঁচানোর মতো ক্ষমতাও ছিল না। অভিযুক্তর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, খুন ছাড়াও অপরহণ, অস্বাভাবিক যৌন নির্যাতন, খুনের তথ্য-প্রমাণ লোপাটের মতো অভিযোগ আনা হয়েছিল। নৃশংস সেই ঘটনার দেড় বছরের মাথায় সাজা ঘোষণা করে আলিপুরের আদালত।