
শেষ আপডেট: 25 January 2024 21:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: নতুন জীবনে পা রেখেই মরণোত্তর চক্ষুদান করলেন নব দম্পতি। গত ২২ জানুয়ারি চুঁচুড়ার হরিদ্রাডাঙার তরুণ সৌম্য চক্রবর্তী সঙ্গে বিয়ে হয়েছে গার্গী ঘনাইয়ের।
বুধবার ছিল তাঁদের বৌভাত। আত্মীয়-বন্ধুদের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে উঠেছিল বাড়ি। তাঁদের সামনেই দুজনে চক্ষুদানে অঙ্গীকারবদ্ধ হলেন। চুঁচুড়ার 'আলোয় ফেরা' নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রয়েছে। তাঁদের সঙ্গেই নবদম্পতির চুক্তিবদ্ধ হলেন।
এবিষয়ে সদ্য বিবাহিত সৌম্য জানিয়েছেন, তাঁরা চান তাঁদের চোখ দিয়েই দৃষ্টিহীনরা একদিন পৃথিবীর আলো দেখবে।
‘আলোয় ফেরা’র সম্পাদক উদয় কুমার পাল জানিয়েছেন, ২০১৮ সাল থেকে চক্ষুদান নিয়ে মানুষকে সচেতনতা করতে কাজ করছেন তাঁরা। এখনও পর্যন্ত ৫০ জনের মরণোত্তর কর্নিয়া সংগ্রহ করেছে এই সংস্থাটি। চক্ষুদান ও দেহদানের জন্য মানুষকে উৎসাহী করে চলেছেন তাঁরা। এই কাজে সহযোগিতা করে শ্রীরামপুর সেবা কেন্দ্র আই ব্যাংক।
জানা গিয়েছে, নববধূ গার্গীর বাবা জয়ন্ত গনাই উদয়বাবুর পূর্ব পরিচিত। সৌম্যর সঙ্গে বিয়ের ঠিক হওয়ার পরেই বর কনে দুজনেই চুক্ষদানের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তাঁরা আবেদনও করেন। বৌভাতের দিন তাঁরা চক্ষুদানে অঙ্গীকারবদ্ধ হলেন।
উদয়কুমারবাবু বলেন, ''সৌম্য ও গার্গীর এই পদক্ষেপ মানুষের কাছে এক সচেতনতা ছড়াল। তাঁদের দেখে চক্ষুদান করতে আরও বেশি মানুষ উৎসাহী হবেন।''