আসলে প্রথমে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ময়নাতদন্তে বলা হয়েছিল, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে। তবে দ্বিতীয় রিপোর্ট বলছে, শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। স্পষ্ট অত্যাচারের প্রমাণ মিলেছে, যা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট মৃত্যুর সঙ্গে মেলে না।

কলকাতা হাইকোর্ট
শেষ আপডেট: 25 August 2025 16:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: খেজুরি মামলায় (Khejuri Case) ময়নাতদন্তের রিপোর্টের (Postmortem Report) অমিল নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আদালতের পর্যবেক্ষণ, প্রথম মামলায় দুই ময়নাতদন্তের ফল মিললেও দ্বিতীয় মামলায় মতভেদ স্পষ্ট।
সোমবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিচারপতি মন্তব্য করেন, চিকিৎসকদের মতামতের এত পার্থক্যে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এতে তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।
আবেদনকারীর আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, রাজ্য পুলিশের (State Police) ওপর ভরসা নেই, তাই সিবিআই (CBI) তদন্ত চাই। তবে বিচারপতি জানান, মামলা এখনও সেই পর্যায়ে পৌঁছয়নি জে সিবিআই-কে তদন্তভার দিতে হবে। প্রয়োজনে পরে এই বিষয়টি নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে।
তবে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, এডিজি সিআইডির তত্ত্বাবধানে ডিআইজি সিআইডি-র নেতৃত্বে বিশেষ দল গঠন করে (CID Special Team) তদন্ত এগিয়ে নিতে হবে। এক মাসের মধ্যে আদালতে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে হবে। মঙ্গলবার এই বিষয়ে চূড়ান্ত নির্দেশ দেবে কলকাতা হাইকোর্ট।
খেজুরিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ব্যক্তির মৃত্যুর (Khejuri Case) মামলায় ইতিমধ্যে কেস ডাইরি জমা দিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু প্রথম-দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের ফারাক নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গেছে। মামলাকারীরা সন্দেহের কারণেই দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের আবেদন করেছিলেন। সেই সন্দেহ আংশিকভাবে সত্যি হয়েছে বলেই রিপোর্টে প্রতিফলিত হয়েছে।
আসলে প্রথমে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ময়নাতদন্তে বলা হয়েছিল, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে। তবে দ্বিতীয় রিপোর্ট বলছে, শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। স্পষ্ট অত্যাচারের প্রমাণ মিলেছে, যা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট মৃত্যুর সঙ্গে মেলে না।