তখতে বসার পাঁচ বছর পর ২০১৬ সালে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পটি চালু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২০ সাল থেকে রাজ্যের প্রতিটি পরিবারকে এর আওতায় আনা হয়।
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 3 November 2025 13:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের গর্বের স্বাস্থ্য প্রকল্প ‘স্বাস্থ্যসাথী’ (Swasthya Sathi) এবার পৌঁছে গেল এক ঐতিহাসিক সাফল্যের দোরগোড়ায় (Health Companion' reaches one crore milestone)।
রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এই প্রকল্পের আওতায় এক কোটি মানুষ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে ১৩,১৫৬ কোটি টাকার ক্যাশলেস চিকিৎসা সুবিধা পেয়েছেন রাজ্যের সাধারণ মানুষ এবং পুরো অর্থটাই এসেছে রাজ্য সরকারের বাজেট থেকে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Chief Minister Mamata Banerjee) শুক্রবার এক্স (টুইটার)-এ লিখেছেন, "মানুষের বিপদের সময় পাশে আছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প তারই নজির। এই প্রকল্পের আওতায় এক কোটি মানুষ পরিষেবা নিয়েছেন।
টুইটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ৮.৫ কোটিরও বেশি মানুষ ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। অর্থাৎ, রাজ্যের প্রায় প্রতিটি পরিবারই আজ স্বাস্থ্যসাথীর সুরক্ষায় আচ্ছাদিত।
সরকারি সূত্রের দাবি, প্রকল্পটি শুধু সংখ্যা নয়, পরিষেবার মানেও এগিয়ে। একটি আধুনিক আইটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হাসপাতালগুলিকে দ্রুত অর্থপ্রদান করা হচ্ছে, ফলে রোগীরা পাচ্ছেন দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও ঝামেলাহীন পরিষেবা। সরকারি ও বেসরকারি— দুই ক্ষেত্রেই এই সুবিধা মিলছে সমানভাবে।
'Swasthya Sathi' -- the all-inclusive, unique health assurance scheme of Government of West Bengal has achieved one crore hospitalisations mark on 31st October 2025, where cashless health care benefit of Rs. 13,156 crore has been provided to the citizens of WEST BENGAL entirely…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) November 3, 2025
রাজ্য সরকারের এক আধিকারিক বলেন, “আগে যেখানে গরিব মানুষ চিকিৎসার খরচে দিশেহারা হয়ে পড়তেন, সেখানে এখন স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকলে সেই চিন্তা অনেকটাই কমেছে।’’
প্রসঙ্গত, তখতে বসার পাঁচ বছর পর ২০১৬ সালে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পটি চালু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২০ সাল থেকে রাজ্যের প্রতিটি পরিবারকে এর আওতায় আনা হয়। আজ সেই প্রকল্প রাজ্যের স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রতীক হয়ে উঠেছে বলেই দাবি রাজ্য প্রশাসনের।