এই হামলার পর থেকে আতঙ্কে ভুগছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। কানাইপুর ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক শিবচন্দ্র দে বলেন, 'সন্ধেবেলা অফিসের সামনেই মুন্নাদার উপর হামলা হয়। ওঁর একটা হাত প্রায় কেটে যায়। আমরা সকলেই খুব ভয় পেয়েছি।'

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 30 July 2025 21:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হুগলির কোন্নগরে প্রকাশ্যে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের উপর চড়াও হল দুষ্কৃতীরা। সদস্যর অফিসের সামনেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় তাঁকে। গুরুতর জখম অবস্থায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতি পিন্টু চক্রবর্তী ওরফে মুন্নাকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধেয় কানাইপুর অটো স্ট্যান্ড সংলগ্ন নিজের গ্যাস অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলেন পিন্টু। তখন হঠাৎই তাঁর উপর কয়েকজন দুষ্কৃতী ঝাঁপিয়ে পড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারতে থাকে। একটা হাত প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় শরীর থেকে।
রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রত্যক্ষদর্শীরা প্রথমে স্থানীয় কানাইপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে তড়িঘড়ি কলকাতার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়।
এই হামলার পর থেকে আতঙ্কে ভুগছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। কানাইপুর ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক শিবচন্দ্র দে বলেন, 'সন্ধেবেলা অফিসের সামনেই মুন্নাদার উপর হামলা হয়। ওঁর একটা হাত প্রায় কেটে যায়। আমরা সকলেই খুব ভয় পেয়েছি।'
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কানাইপুর ফাঁড়ি ও উত্তরপাড়া থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। এলাকায় আসেন শ্রীরামপুরের ডেপুটি কমিশনার (ডিসিপি) অর্ণব বিশ্বাস। পুরো এলাকা ঘিরে রেখে শুরু হয়েছে তদন্ত।
কী কারণে পঞ্চায়েত সদস্যের উপর এই হামলা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ব্যক্তিগত শত্রুতা, পুরনো রাজনৈতিক বিরোধ, না কি অন্য কোনও কারণ, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থলের পাশেই একটি মদের দোকান রয়েছে। সন্ধ্যার পর সেখানে নানা ধরনের লোকজনের জমায়েত লেগেই থাকে। পুলিশের ধারণা, অভিযুক্তরা ওই এলাকারই পরিচিত অপরাধী।
এলাকায় থাকা একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের মুখ ঢাকা ছিল কি না, কোনও বাইকে করে এসেছিল কি না, পালানোর পথ, সব কিছুই তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে।