Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: ‘তাহলে আমার তত্ত্ব ভুল ছিল না!’ বৈভবের বিরল ব্যর্থতা দেখে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ইরফানের I PAC: ৫০ কোটির বেআইনি লেনদেন, আই প্যাক ডিরেক্টর ভিনেশের বিরুদ্ধে ৬ বিস্ফোরক অভিযোগ ইডিরWest Bengal Election 2026 | ‘৫০-আসন জিতে তৃণমূলকে ১৫০-আসনে হারাব’ মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত

জল ভেঙে টিউবের ভেলায় হাসপাতালে পৌঁছনো গেল না, পথেই মৃত্যু হাবড়ার বাসিন্দার

মঙ্গলবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন লোকনাথ সরণীর বাসিন্দা ৪৫ বছরের বিধান হালদার। জলে ডুবে থাকায় কোনও ডাক্তারকে আনতে পারেননি পরিবারের লোকজন। 

জল ভেঙে টিউবের ভেলায় হাসপাতালে পৌঁছনো গেল না, পথেই মৃত্যু হাবড়ার বাসিন্দার

মৃত বিধান হালদার

শ্যামশ্রী দাশগুপ্ত

শেষ আপডেট: 27 August 2025 16:08

প্রতীতি ঘোষ, উত্তর ২৪ পরগনা

হাবড়া পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড। কোমর-সমান জলের নীচে গোটা এলাকা। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দা বিধান হালদার হঠাৎই হৃদরোগে আক্রান্ত হন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়েই বাঁধে বিপত্তি। জল ভেঙে টিউবের ভেলায় করে  কোনওরকমে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন প্রতিবেশীরা। ভেলাতেই তাঁর পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। বিধানবাবুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ওই চিকিৎসক। এই খবর জানাজানি হতেই ক্ষোভ উগরে দেন বাসিন্দারা।

অভিযোগ, হাবড়া পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লোকনাথ সরণি সহ ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ অঞ্চল এখনও জলমগ্ন। প্রায় প্রত্যেকটা বাড়ির সামনে কোমরসমান জল। জলমগ্ন প্রায় শতাধিক বাড়ি। এইভাবে জল দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রায় দু'মাস ধরে। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন। জল ভেঙে প্রতিদিনের প্রয়োজনে বের হন এলাকার মানুষ। কিন্তু অসুস্থ বিধানবাবুকে সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন লোকনাথ সরণির বাসিন্দা ৪৫ বছরের বিধান হালদার। জলে ডুবে থাকায় কোনও ডাক্তারকে আনতে পারেননি পরিবারের লোকজন। পড়শিরা এগিয়ে এসে টিউবের ভেলায় করে তাঁকে নিয়ে হাসপাতালে রওনা দেন। পথেই তাঁদের সন্দেহ হয়, আর বেঁচে নেই তিনি। তাই স্থানীয় ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। ওই ডাক্তারই মৃত বলে ঘোষণা করেন তাঁকে।

খবর পেয়ে পরিজনরা ছুটে আসেন। কিন্তু বাড়ির সামনে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা যাবেন কী করে? মৃতদেহই বা নিয়ে যাওয়া হবে কী করে!  জমা জলের কারণে আর বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়নি তাঁর দেহ। বাড়ির সামনে উঁচু জায়গায় একটি ক্লাবের সামনে তাঁকে শেষ বিদায় জানায় পরিবার।

ঘটনার খবর পেয়ে ক্ষোভ উগরে দেন বিরোধীরা। তাঁদের প্রশ্ন, জমা জল বের করার জন্য প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বুস্টিং স্টেশন তৈরি করা হয়েছিল, সেটা কী কাজে আসছে? 
 


```