জিআরপির এক আধিকারিকের কথায়, “লোকবল যা আছে, তা দিয়ে যতটা সম্ভব চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু যাত্রী সংখ্যা ও ট্রেনের তুলনায় পুলিশের সংখ্যা খুবই কম।” তাঁর দাবি, নতুন নিয়োগ না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 23 January 2026 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ যাত্রী ট্রেনে চড়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু সেই বিপুল যাত্রীস্রোতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে (provide security on trains and stations) গিয়ে কার্যত নাভিশ্বাস উঠছে রেল পুলিশের (Railway Police)। পর্যাপ্ত লোকবলের অভাবে ট্রেন ও স্টেশনে নিরাপত্তা দিতে হিমশিম খাচ্ছে জিআরপি (GRP)—এমনই ছবি উঠে আসছে বিভিন্ন রেল ডিভিশন থেকে।
রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বহুদিন ধরেই জিআরপিতে জনবলের ঘাটতি রয়েছে। অবসর, বদলি ও নতুন নিয়োগের অভাবে ফাঁকা পড়ে রয়েছে একাধিক পদ। তার জেরে একই সংখ্যক পুলিশকে বাড়তি দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। একদিকে এক্সপ্রেস ও লোকাল ট্রেন, অন্যদিকে ব্যস্ত স্টেশন—সব সামলানো কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠছে।
বিশেষ করে রাতের ট্রেন, দূরপাল্লার এক্সপ্রেস ও ভিড়ভাট্টা স্টেশনগুলিতে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চুরি, ছিনতাই, যাত্রী হয়রানির অভিযোগ মাঝেমধ্যেই সামনে আসছে। কিন্তু পর্যাপ্ত পুলিশ না থাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। অনেক ক্ষেত্রে একজন বা দু’জন পুলিশকর্মীকেই গোটা প্ল্যাটফর্ম বা একাধিক কামরার দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে।
জিআরপির এক আধিকারিকের কথায়, “লোকবল যা আছে, তা দিয়ে যতটা সম্ভব চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু যাত্রী সংখ্যা ও ট্রেনের তুলনায় পুলিশের সংখ্যা খুবই কম।” তাঁর দাবি, নতুন নিয়োগ না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।
রেল যাত্রী সংগঠনগুলিও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের বক্তব্য, নিরাপত্তার অভাব যাত্রীদের আস্থায় বড় ধাক্কা দিচ্ছে। বিশেষ করে মহিলা ও বয়স্ক যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন।
যদিও প্রশাসনিক স্তরে জানানো হয়েছে, লোকবল বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং ধাপে ধাপে নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কবে সেই সংকট কাটবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। ফলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।