
শেষ আপডেট: 20 April 2023 02:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কয়েক মাস আগেই তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল জোশীমঠ এলাকা জুড়ে বেড়ে ওঠা একাধিক ফাটলে (Fresh Cracks in Joshimath)। পাহাড় কেটে উন্নয়নের চাপ সহ্য না করতে পেরে বড়সড় বিপর্যয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিল প্রকৃতি। তার পর থেকেই চলছে সংস্কার ও গবেষণার কাজ। সে সবের মধ্যেই উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি সদ্য ঘোষণা করেন, আগের থেকে জোশীমঠের পরিস্থিতি স্থিতিশীল। আর তার ঠিক পরেই নতুন করে উত্তরাখণ্ডের জোশীমঠে ফাটল দেখা গেল বহু বাড়িতে! স্থানীয়রা নিজেরাই এগিয়ে এসে অভিযোগ তুলেছেন, সরকার যতই বলুক সব ঠিক আছে, আসলে তাঁরা ভয় পাচ্ছেন। কারণ তাঁদের বাড়িগুলিতে ফাটল দেখা যেতে শুরু করেছে।
গত পরশু, মঙ্গলবারই জোশীমঠের চাওয়ানিবাজারের বাসিন্দা বাসন্তী দেবী ও তাঁর ছেলে নরেন্দ্র লাল নতুন করে প্রথম অভিযোগ করেন ফাটলের। যোশীমঠের সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট কুমকুম যোশীর কাছে একটি চিঠিও দেওয়া হয় তার পরে। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনকে ফের ওই এলাকার সমীক্ষা করে দেখতে হবে। বাড়িগুলিও পরীক্ষা করতে হবে।

বাসন্তী দেবী ও নরেন্দ্র লাল জানিয়েছেন, আগে সামান্য চুলচেরা মতো ফাটল ছিল বাড়িতে। কিন্তু এখন তা বড় হয়ে নতুন ফাটলের আকারে দেখা দিয়েছে। আগের থেকে অনেকটাই চওড়া। প্রশাসনের কাছে তাঁরা আবেদন জানিয়েছেন, যাতে আবার সমীক্ষা করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, জোশীমঠের যা পরিস্থিতি বলে দাবি করা হচ্ছে, তা বাস্তবের থেকে আলাদা
জোশীমঠের এসডিএম কুমকুম যোশী জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়েছেন স্থানীয়দের থেকে। সরকারের প্রযুক্তিগত টিম এবার পর্যবেক্ষণ করে দেখবে। যদি তারা মনে করে যে ওই বাড়িগুলিতে বসবাস বাসিন্দাদের পক্ষে বিপজ্জনক, তাহলে বাসিন্দাদের সেখান থেকে সরানো হবে। প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
এ বছরের জানুয়ারি মাসে জোশীমঠের ৮০০টি বাড়িতে ফাটল দেখা দেয়। এর পরেই তোলপাড় পড়ে যায় রাজ্য তথা দেশ জুড়ে। সম্প্রতি এক ভাষণে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর ধামি বলেন, জোশীমঠ আর উত্তরাখণ্ডের যে পরিস্থিতি তুলে ধরা হচ্ছে গোটা দেশে, তেমনটা আসলে নয়। সরকারি স্তরে ও প্রশাসনিক স্তরে সমস্ত রকমের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তাঁর এই বার্তার পরই জোশীমঠে নতুন করে বাড়িগুলিতে ফাটল দেখতে পাওয়া গেল।
মহানন্দা অভয়ারণ্যে দেখা মিলল রয়্যাল বেঙ্গলের, দীর্ঘ ২০ বছর পরে বাঘ দেখে উল্লাস