পুলিশ (Ashokenagar Police) সূত্রে খবর, গত ৪ অগস্ট অশোকনগর বুজরুক দিঘা দোগাছিয়া এলাকার রাস্তার ধারে এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের গলাকাটা দেহ উদ্ধার হয়।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 15 September 2025 12:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অশোকনগরে (Ashokenagar Murder Case) গলাকাটা দেহ উদ্ধারের (Dead Body) ঘটনায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। খুনের অভিযোগে গ্রেফতার (Arrest) হলেন এক বিএসএফ (BSF) কর্মী ও তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ধৃত বিএসএফ কর্মীর নাম অভিজিৎ হালদার, বাড়ি অশোকনগর কল্যাণগড়ে। তাঁর সহযোগী শম্ভু পালের বাড়ি অশোকনগরের কচুয়া এলাকায়।
পুলিশ (Ashokenagar Police) সূত্রে খবর, গত ৪ অগস্ট অশোকনগর বুজরুক দিঘা দোগাছিয়া এলাকার রাস্তার ধারে এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের গলাকাটা দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিকভাবে কোনও সূত্র হাতে না এলেও মৃতদেহের পাশে একটি বাসের টিকিট মেলে। সেই টিকিট ঘিরেই শুরু হয় তল্লাশি, এবং শেষমেশ দুই অভিযুক্তের নাম উঠে আসে।
পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, নিহত যুবকের বাড়ি মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করে। পরিজনেরা গিয়ে দেহ শনাক্তও করেন। জানা যায়, মৃত যুবক একসময় সিআরপিএফ জওয়ান (CRPF Jawan) ছিলেন। তবে চাকরির সময় মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলায় তাঁকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। শেষমেশ তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।
তাহলে কেন এই মানসিক ভারসাম্যহীন প্রাক্তন জওয়ানকেই খুন করা হল? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। শনিবার উত্তরপ্রদেশ থেকে ধৃত বিএসএফ কর্মী অভিজিৎ হালদারকে গ্রেফতার করে অশোকনগর থানার পুলিশ। পরে তাঁকে অশোকনগরে নিয়ে আসা হয়। রবিবার বারাসত আদালতে পেশ করা হলে ধৃতদের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার আসল কারণ জানতে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদই এখন মূল লক্ষ্য।