বারাসত সাংগঠনিক জেলা বিজেপির নতুন সভাপতি ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই গোষ্ঠীকোন্দল বেড়েছে দলের অন্দরে। সাংগঠনিক বৈঠকে জেলা সভাপতির সামনেই নিজেদের মধ্যে মারপিট, চেয়ার ভাঙচুর করলেন কর্মী- সমর্থকরা।

বিজেপি কর্মীসমর্থকদের মধ্যেই মারামারি
শেষ আপডেট: 9 June 2025 12:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বারাসত সাংগঠনিক জেলা বিজেপির (Barasat News) নতুন সভাপতি ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই গোষ্ঠীকোন্দল বেড়েছে দলের অন্দরে। সাংগঠনিক বৈঠকে জেলা সভাপতির সামনেই নিজেদের মধ্যে মারপিট, চেয়ার ভাঙচুর করলেন কর্মী- সমর্থকরা (BJP News)। যার জেরে আহত হয়েছেন কম করে ৭ জন। পরবর্তীতে অশোকনগর থানার পুলিশ (Ashokenagar Police) এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উভয়পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনা হল, রোববার রাতে বিজেপির বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি রাজীব পোদ্দারের উপস্থিতিতে সাংগঠনিক বৈঠক চলাকালীনই ঝামেলা শুরু হয়। বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তুমুল মারামারিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে অশোকনগরের মানিকতলা এলাকা।
এদিন মানিকতলা ক্লাব এলাকায় রবিবার সন্ধ্যায় চলছিল বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক। রোববারই বনগাঁয় এসেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি চলে যাওয়ার পরপরই সাংগঠনিক বৈঠক ডাকে বিজেপি (BJP)। সেই বৈঠকে অশোকনগরের যুব মোর্চার ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রদীপ সরকার-সহ কয়েকজন জেলা সভাপতির কাছে জানতে চাওয়া হয় অশোকনগরে যে চারটি মণ্ডল রয়েছে তার মধ্যে একজন মহিলার মণ্ডল সভাপতি হওয়ার কথা ছিল। তা কেন হয়নি এবং কয়েকজন বিজেপি নেতাকর্মী তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে বলেও দাবি করা হয়।
অভিযোগ এই প্রশ্ন উঠতেই অশোকনগরের কয়েকজন বিজেপি কর্মী-সমর্থক প্রদীপ-সহ তাঁর সঙ্গে থাকা বাকিদের উপর চড়াও হয়। ব্যাপক মারধর করে, ভাঙচুর করা হয় চেয়ার। উভয়পক্ষের মধ্যে মারপিট ও হাতাহাতিতে জখম হয় অন্তত সাত জন বিজেপি কর্মী। যাঁদের মধ্যে একজনে গুরুতর জখম বলে জানিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে অশোকনগর থানার পুলিশ। রবিবার রাতে এই ঘটনায় আহতরা অশোকনগর হাসপাতালে চিকিৎসার পর অশোকনগর থানায় উভয়পক্ষ লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। বিজেপির জেলা সভাপতি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।
বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রসঙ্গে অশোকনগরের বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী জানান, এঁদের হাতে ক্ষমতা গেলে কী অবস্থাটাই না হবে! ব্যাঙ্গ করে বলেন, "বিজেপির মধ্যে যদি এমনই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থাকে, তাহলে পুলিশ প্রোটেকশন নিয়ে মিটিং করা উচিত।"