সকাল থেকে ইট দিয়ে আঘাত করে সাঁতরাগাছির পুলিশি ব্যারিকেডের ভাঙার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। আর মিছিল রুখতে ব্যারিকেডের ওপারে জলকামান, কাঁদানে গ্যাস নিয়ে তৈরি ছিল পুলিশ।

সাঁতরাগাছিতে আগুন লাগিয়ে বিক্ষোভ
শেষ আপডেট: 9 August 2025 15:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নবান্ন অভিযানকে (Nabanna Abhijan) কেন্দ্র করে সকাল থেকেই উত্তপ্ত সাঁতরাগাছি (Santragachi)। সেখানে প্রাচীর সমান পুলিশি ব্যারিকেড সরিয়ে নবান্নর দিকে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে কাচের বোতল, প্ল্যাকার্ড ছোড়ার ঘটনাও ঘটেছে। তবে আদতে ব্যারিকেড টপকাতে না পেরে শেষে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়।
সকাল থেকে ইট দিয়ে আঘাত করে সাঁতরাগাছির পুলিশি ব্যারিকেডের ভাঙার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। আর মিছিল রুখতে ব্যারিকেডের ওপারে জলকামান, কাঁদানে গ্যাস নিয়ে তৈরি ছিল পুলিশ। 'দফা একা, দাবি এক - মমতার পদত্যাগ', এই স্লোগান দিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে কাচের বোতল, প্ল্যাকার্ড ছোড়ার ঘটনা ঘটে তখনই। কিন্তু শত চেষ্টা করেও পুলিশের ওই ব্যারিকেড টপকাতে পারেনি কেউ।
নবান্ন অভিযান ঠেকাতে সাঁতরাগাছি সহ বাকি যে সব জায়গায় ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে সেগুলি তৈরিতে বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট, লোহার বিম এবং মোটা লোহার রড ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে এগুলো ভাঙা, বাঁকানো বা সরানো প্রায় অসম্ভব। তার কারণও রয়েছে। এর আগে একবার বিজেপির ডাকা নবান্ন অভিযানের সময়ে গলিপথ ধরে আন্দোলনকারীরা প্রায় নবান্নের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছিলেন। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, সেই চেষ্টায় করেছে পুলিশ।
সকাল থেকে সাঁতরাগাছির মতো হাওড়া ময়দান, পার্কস্ট্রিট (Park Street) অঞ্চলেও ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। সেখান থেকেই নবান্নর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু কিছুদূর যাওয়ার পরই তাদের বাধা দেয় পুলিশ। তাই পার্কস্ট্রিটেই অবস্থানে বসে পড়েন তিনি এবং বাকি বিজেপি নেতারা। এরপরই সামনে আসে পুলিশের আহত হওয়ার খবর।