নির্বাচন কমিশন ফের রাজ্য সরকারকে নতুন করে উপযুক্ত অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সংশোধিত তালিকা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে এই তিন পদে দ্রুত নিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 7 August 2025 22:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটার তালিকায় যাচাই না করেই ‘ভূতুড়ে ভোটার’ অন্তর্ভুক্তির অভিযোগে বাংলার দুই বিধানসভা কেন্দ্রের ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারকে (এইআরও) সাসপেন্ড করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।
কমিশনের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) প্রকাশ্যে সরব হন। আর তার কিছুক্ষণের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন রাজ্য সরকারের পাঠানো নির্বাচনী পদে নিয়োগের নামের তালিকায় আপত্তি জানায়।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন এখনও বেশ কিছুদিন দূরে হলেও, নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকারের মধ্যে টানাপড়েন যেন আগেভাগেই শুরু হয়ে গেল। নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্যের কাছে অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (অ্যাডিশনাল সিইও), ডেপুটি সিইও এবং জয়েন্ট সিইও পদে নিয়োগের জন্য তিনটি নামের প্যানেল চাওয়া হয়েছিল। রাজ্য সরকার সেইমতো প্রস্তাব পাঠালেও কমিশনের দাবি, প্রস্তাবিত ব্যক্তিদের কারোরই নির্বাচনী অভিজ্ঞতা নেই।
ফলে নির্বাচন কমিশন ফের রাজ্য সরকারকে নতুন করে উপযুক্ত অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সংশোধিত তালিকা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে এই তিন পদে দ্রুত নিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তবে রাজ্য সরকারের একাংশের মতে, ইতিমধ্যেই যেভাবে রাজ্যের সিভিল সার্ভিস অফিসারদের সাসপেনশন ও তদন্তের মুখে পড়তে হয়েছে, তাতে নতুন প্যানেল তৈরি করতে গিয়ে প্রশাসনিক স্তরে আরও জটিলতা তৈরি হতে পারে।