
শেষ আপডেট: 24 February 2024 17:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার সব জেলার পুলিশ সুপার ও জেলা শাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন অফিসার (CEO)। সন্দেশখালি সহ রাজ্যের যে সমস্ত জায়গায় সম্প্রতি আইনশঙ্খলা নিয়ে সমস্যা হয়েছে, সে ব্যাপারে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে ওই বৈঠকে। জেলার পুলিশ সুপার ও জেলা শাসকদের বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ কলকাতায় আসছে ৩ মার্চ। সেই সময়ে এই তথ্য জানতে চাইতে পারে কমিশন।
রাজ্যে যখন এই বৈঠক চলছে তখন জাতীয় নির্বাচন সদন একটি কড়া চিঠি দিয়েছে। শুধু নবান্ন নয়, সব রাজ্যের সচিবালয়ের ওই চিঠি পাঠানো হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, কমিশনের নিয়মের ফাঁক গলে অনেক রাজ্যে অফিসারদের পাশের জেলা বা একই লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে বদলি করা হচ্ছে। কমিশন তা বরদাস্ত করবে না। এ ব্যাপারে নিয়মে যাতে কোনও ফাঁক যাতে না থাকে তা নিশ্চিত করতে পুরনো নির্দেশও সংশোধন করেছে কমিশন।
নিয়ম হল, কোনও পুলিশ অফিসার বা পদস্থ আমলা একই স্থানে তিন বছরের বেশি মেয়াদ থাকলে ভোটের আগে তাঁদের বদলি করতে হবে। অর্থাৎ যাতে তাঁরা ভোটে প্রভাব খাটাতে না পারে। কমিশনের বক্তব্য, অনেক রাজ্যে দেখা যাচ্ছে অফিসারদের বদলি এমন ভাবে করা হচ্ছে যাতে তাঁরা একই লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে থেকে যান। কমিশন সেই খেলা ধরে ফেলেছে। সেই সঙ্গে রাজ্যগুলিকে বলা হয়েছে, কোনও ভাবেই অফিসারদের পাশে জেলা বা একই লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে বদলি করা যাবে না।
গত বিশ বছর ধরে লোকসভা ভোটে বাংলায় কমিশনের কড়াকড়ি অব্যহত রয়েছে। এবার লোকসভা ভোটে বাংলায় সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য কমিশন ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পরামর্শ দিয়েছে। দেশের আর কোনও রাজ্যে এত বাহিনী মোতায়েন করা হবে না। এমনকি উত্তরপ্রদেশ বা জম্মু-কাশ্মীরে এর চেয়ে অনেক কম বাহিনী মোতায়েন করা হবে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বাংলার ব্যাপারে আসল মনোভাব কী তা আগামী মার্চের গোড়ায় আরও পরিষ্কার করে বোঝা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ৩ থেকে ৫ মার্চ কমিশনের ফুল বেঞ্চ থাকবে কলকাতায়। তার পর দিল্লি ফেরার আগে সাংবাদিক বৈঠক করবেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার।