
শেষ আপডেট: 5 August 2024 15:21
দ্য় ওয়াল ব্যুরো: আনিসুর রহমান ও আলিফ নুর গ্রেফতারের পরেই নতুন মাত্রা পেল রেশন দুর্নীতির তদন্ত। এই দুই ভাইয়ের অ্যাকাউন্টসের ব্যালান্স শিট রীতিমতো চমকে দিচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দাদের। পাশাপাশি তাদের জেরা করে উঠে আসছে লোকজনকে ভুয়ো চাষি সাজিয়ে কীভাবে সরকারের টাকা আত্মসাৎ করতেন সেই তথ্যও। তদন্তে মিলেছে আরও পাঁচ সংস্থার হদিশ।
নতুন করে যে ৫ সংস্থার হদিশ পাওয়া গিয়েছে, সেই সংস্থাগুলির নাম হল- ইএইচ গ্রিনিশ কোম্পানি, ইএইচ সেন্ট্রা অ্যান্ড মার্ট কোম্পানি, ইএইচ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি, ইএইচ পিকাসো কোম্পানি, ইএইচ গ্রিনরাশ কোম্পানি। ইডি সূত্রে খবর প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা পার্টনার হিসেবে রয়েছেন এই সব সংস্থায়। এই কোম্পানিগুলির ব্যালান্স শিট দেখতে গিয়ে ইডি অফিসাররা জানতে পেরেছেন ও সংস্থাগুলির নামে এসেছে কোটি কোটি টাকা।
এর আগে ইডির তদন্তে উঠে আসে, বাকিবুর রহমানের কাছ থেকেও টাকা ঢুকেছিল আনিসুর-আলিফের রাইস মিলে। রাইস মিলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট দেখতে গিয়ে তাঁরা দেখেন ওই অ্যাকাউন্টে ৯০ লক্ষ টাকা ঢুকেছে। ইডি আধিকারিকরা জানান, আনিসুর ও আলিফের নামে থাকা হাইটেক রাইস মিলের ব্যাঙ্কের নথিতে ওই লেনদেনের হিসেব দেখা গিয়েছে। এরপরেই ইডি আধিকারিকরা খতিয়ে দেখা শুরু করেন ঋণ হিসেবে ওই টাকা নেওয়া হয়েছিল, নাকি এই লেনদেনের মাধ্যমে বাকিবুর কালো টাকা সাদা করার চেষ্টা করেছিল।
ইডি সূত্রের খবর, ৪টি রাইস মিলের মাধ্যমে দুই ভাইয়ের ৪৫ কোটি টাকা গরমিল পাওয়া গেছে। ২০১৮ সালের পর কৃষকদের থেকে চাল কেনার জন্য অনলাইন পোর্টাল তৈরি করে রাজ্য সরকার। সেই পোর্টালেই ভুয়ো চাষিদের তথ্য নথিভুক্ত করে সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে আনিসুর ও আলিফের বিরুদ্ধে। অন্তত ১০০ জন ভুয়ো চাষির নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।