সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার থেকে শ্রীভূমি— সব বড় মণ্ডপেই ভিড় জমেছে। একই ছবি জেলাগুলিতেও। মেদিনীপুর থেকে মালদহ— সর্বত্রই বেলা গড়াতেই ঠাকুর দেখতে মানুষের ঢল। গরম আর বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি সঙ্গী করেই চলছে দেবী দর্শন। রাতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভিড়ও।
.jpeg.webp)
মণ্ডপে উপচে পড়া ভিড়। ছবি-সৌম্যদীপ সেন।
শেষ আপডেট: 30 September 2025 20:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুপুরে ঘণ্টা দেড়েকের ঝমঝমে বৃষ্টি। তাতেই কলকাতার নানা প্রান্তে পুজো মণ্ডপের পথে কাদা জল জমে ছোটখাটো দুর্ভোগ। কিন্তু তাতে কি ঠাকুর দেখা (Durga Puja) থেমে থাকে! মণ্ডপে মণ্ডপে উপচে পড়া ভিড়ই তার প্রমাণ। কারও হাতে ছাতা, কারও গায়ে রেইনকোট— কিন্তু সবার চোখেই একটাই লক্ষ্য, দেবী দর্শন (district from Kolkata, overflowing crowd at Mandap)।
ম্যাডক্স স্কোয়ারে দেখা গেল কাদা জল পেরিয়ে তরুণ-তরুণীরা ছুটছেন প্যান্ডেলের দিকে। দক্ষিণ কলকাতার হিন্দুস্তান পার্ক, সিংহী পার্ক, সুরুচি— সব জায়গাতেই ভিড় ভালই। তবে আগে যেমন অষ্টমীর সন্ধ্যায় রাস্তায় কাতারে কাতারে মানুষের ঢল নামত, এ বার সেই ভিড় কিছুটা কম। রাস্তায় যানজটও কম চোখে পড়ছে। কিন্তু নামী পুজোগুলির সামনে ঢল নেমেছে দর্শনার্থীর। উদ্যোক্তাদের আশা, রাত বাড়লেই ভিড় আরও বাড়বে।
সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার থেকে শ্রীভূমি— সব বড় মণ্ডপেই ভিড় জমেছে। একই ছবি জেলাগুলিতেও। মেদিনীপুর থেকে মালদহ— সর্বত্রই বেলা গড়াতেই ঠাকুর দেখতে মানুষের ঢল। গরম আর বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি সঙ্গী করেই চলছে দেবী দর্শন। রাতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভিড়ও।

আবহাওয়া দফতর অবশ্য আগেই জানিয়েছিল, অষ্টমীর সন্ধ্যা থেকেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে। আসল দুর্যোগ শুরু হবে নবমী থেকে। উত্তর আন্দামান সাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়ে বাংলার দিকে ধেয়ে আসবে। তার জেরে নবমী-দশমীতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি কাঁপিয়ে দেবে গোটা দক্ষিণবঙ্গ। ফলে বৃষ্টি এড়াতে অনেকেই অষ্টমীর রাতেই ঠাকুর দেখা সেরে নিতে চাইছেন।
কলকাতা হোক বা জেলা— ভিড় সামলাতে পুলিশি নজরদারিও চোখে পড়ার মতো। রাত যত বাড়ছে, শহর-গ্রাম সর্বত্রই পুজোর উন্মাদনা ততই উচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ভক্তদের।