
শেষ আপডেট: 24 February 2020 09:45
ভিজিটর্স বুকে ট্রাম্পের লেখা ওই তিনলাইন সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই হইহই পড়ে যায়। অনেকে বলেন, গান্ধীর অপমান করা হয়েছে। কারও বা মন্তব্য, মোদী ও ট্রাম্পের মানসিকতার যে ফারাক নেই এতেই পরিষ্কার। সমস্তটাই লোকদেখানো। গান্ধীর আদর্শের প্রতি লেশমাত্র শ্রদ্ধা নেই।
পাঁচবছর আগে সবরমতী আশ্রমে গিয়ে ওবামা লিখেছিলেন, “ডকটর মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র যে কথা লিখেছিলেন তা আজও সত্য—‘গান্ধীর মতাদর্শ ভারতবর্ষে আজও ভীষণ ভাবে প্রাসঙ্গিক, এবং গোটা পৃথিবীর জন্যও এটা বড় অনুপ্রেরণা। তাঁর দেখানো সেই শান্তি ওভালবাসার পথেই গোটা পৃথিবী ও তার রাষ্ট্রসমূহ চলুক'।"
সবরমতী আশ্রমে সস্ত্রীক ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন তাঁদের মেয়ে ইভাঙ্কা ও জামাই জ্যারেড কুশনার। তাঁদের চায়ের সঙ্গে দেওয়া হয় গুজরাতের খাবার খামান, ব্রকোলি ও কর্ন সামোসা, আপেল পাই এবং কাজু কাটলি। তাঁরা ১৫ মিনিট কাটান ‘হৃদয় কুঞ্জ’-তে। সেখানে গান্ধীজি ছিলেন ১৩ বছর। এখান থেকেই তিনি ডান্ডি অভিযানের কথা ঘোষণা করেন।
এদিন ট্রাম্পের বিমান পৌঁছবার আগেই জোরদার কাউন্টডাউন চলছিল আহমেদাবাদ বিমানবন্দরে। নিরাপত্তা থেকে অ্যাপ্যায়ন-সব কিছুরই ব্যবস্থা ছিল ‘এ ওয়ান।’ সর্দার বল্লভভাই পটেল বিমানবন্দর থেকে আহমেদাবাদ পর্যন্ত দীর্ঘ ২২ কিলোমিটার রাস্তা সেজে উঠেছিল নানা পোস্টার, হোর্ডিংয়ে। গরবা নেচে সপরিবার ট্রাম্পকে স্বাগত জানায় ঐতিহাসিক শহর আহমেদাবাদ। মোতায়েন করা হয় ১০ হাজার পুলিশকর্মী। তা ছাড়াও নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস, ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) এবং স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (এসপিজি)।