রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে জগন্নাথ দেবের প্রসাদ বিতরণের সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

শেষ আপডেট: 12 June 2025 20:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে জগন্নাথ দেবের প্রসাদ বিতরণের সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। হুগলি চুঁচুড়া পুরসভা এলাকায় রেশন দোকানের মাধ্যমে ২৫ থেকে ২৬ হাজার পরিবারে জগন্নাথ দেবের প্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন। এরজন্য রেশন ডিলারদের সঙ্গে বৈঠক করেন হুগলি সদর মহকুমা শাসক স্মিতা সান্যাল শুক্লা।
প্রসাদ বিতরণ প্রসঙ্গে মহকুমা শাসক বলেন, “রেশন কার্ড থাক বা না থাক, যারা ইচ্ছুক তাঁরা সকলেই প্রসাদ নিতে পারবেন। এটি শুধু একটি বিতরণমাধ্যম। যাতে একসঙ্গে অনেক প্রসাদ নষ্ট না হয়, সে কারণে পর্যায়ক্রমে তা সরবরাহ করা হবে।” তিনি জানান, সবাই এখানে আসেন, তাই রেশন দোকানকে বেছে নেওয়া হয়েছে প্রসাদ বিলির জন্য। সমস্ত ব্লক এবং পুরসভার আলাদা আলাদা টার্গেট দেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী বিলিবন্টন হবে।
রেশন ডিলার কল্যানেশ্বর সাহার কথায়, “চাপ থাকলেও আমরা খুশি এই কাজের অংশ হতে পেরে। চাই একসঙ্গে সব দোকানে পৌঁছোক, যাতে প্রসাদ বিলিতে সমন্বয় থাকে।”
তবে এই উদ্যোগকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ। তাঁর প্রশ্ন, “জগন্নাথ মন্দির নয়, কালচারাল সেন্টার থেকে আসছে এই প্রসাদ। আপনার আমার টাকায় তৈরি সেই কেন্দ্র থেকে প্রসাদ বিলি হবে রেশনে—এটা হাস্যকর। প্রসাদ মানে ভক্তি, তা রেশন দোকানে বিলি করে অপমান করা হচ্ছে। সত্যিকারের প্রসাদ হলে গ্রহণ করতাম, যেমন রাম মন্দির হওয়ার পরে এসেছিল। কিন্তু এভাবে করের টাকায় নিজের নাম কিনতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী।”
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।