প্রথম দফায় নবম-দশমে নিয়োগের এসএসসি পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই কেটেছে। লিখিত পরীক্ষা দিয়ে অধিকাংশ পরীক্ষার্থী জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র সহজ ও মানানসই ছিল।

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 8 September 2025 22:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৯ বছর পর রাজ্যে এসএসসির নিয়োগ পরীক্ষা (SSC Recruitment Exam) হল গতকাল অর্থাৎ রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর)। আগামী রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আরও এক দফার পরীক্ষা বাকি। তবে পরীক্ষা হলেও চাকরিপ্রার্থীদের স্বচ্ছ নিয়োগের আশা দেখছেন না বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, 'এই সরকার আসার পর পরীক্ষা করে না। বহু পরীক্ষা প্রথমবার হচ্ছে। পরীক্ষা যদিও হয় তার রেজাল্ট হয় না। পাস করে গেলে চাকরি হয় না। পাস করলেও তাঁদের ধর্নায় বসতে হয়। সেইতো ধর্নায় বসতে হবে। আর যদি চাকরি পেয়েও যায়, ডিএ পাবে না।'
প্রসঙ্গত, প্রথম দফায় নবম-দশমে নিয়োগের এসএসসি পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই কেটেছে। লিখিত পরীক্ষা দিয়ে অধিকাংশ পরীক্ষার্থী জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র সহজ ও মানানসই ছিল। তাঁদের মধ্যে অনেকেরই মত, এত দিনের অপেক্ষার পর নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ায় স্বস্তি পেয়েছেন।
অনুমান, এবার হয়তো দুর্নীতির সুযোগ তেমন একটা থাকবে না। কিন্তু কেন? এর মূল কারণ, এবার পরীক্ষার্থীরা প্রথমবারের জন্য প্রশ্নপত্রের কপি (Question Paper) বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, পরীক্ষা শেষে ওএমআর শিটের কার্বন কপিও (OMR Sheet Carbon Copy) হাতে পেয়েছেন তাঁরা। যদিও চাকরিহারা 'যোগ্য' শিক্ষকদের একাংশের আশঙ্কা, 'চাকরিটা ফেরত পাব তো?'
পশ্চিমবঙ্গে হিন্দি-ইংরেজি বলতে না পারায় চাকরি হারানোর একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। এদিকে সেই রাজ্যেই হিন্দিভাষী পরীক্ষার্থীরা অন্য রাজ্য থেকে এসে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন। এনিয়ে বিজেপি নেতা বলেন, 'এখানে বাংলা মাধ্যমের শিক্ষার চাকরি কোথায়? পাড়ায় পাড়ায় ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল হয়ে গেছে। কারণ সবাই বুঝে গেছে বাংলায় পড়লে বাংলাতেই চাকরি হবে না। বাইরের রাজ্যে যেতে হবে।'
এক বছরে তিনবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গে সফর নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, 'তৃণমূলে আর কোনও নেতা নেই। যা করার ওনাকেই করতে হবে। এত বদনাম হয়ে গেছে যে এখন বুঝে গেছেন প্রশাসন চালিয়ে ভোট পাওয়া যাবে না। দলে নতুন লোক আনার জন্য প্রলোভন দেওয়া হচ্ছে। ভয় দেখানো হচ্ছে।' বিধানসভা নির্বাচনের আগে 'বোঝাপড়া'র কাজ করছেন মুখ্যমন্ত্রী! এমনটাই দাবি করলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ।