আদালত সূত্রের খবর, মামলার পরবর্তী শুনানি হতে পারে ৮ সেপ্টেম্বর। সেক্ষেত্রে দুর্গাপুজোর আগে ডিএ মামলার নিষ্পত্তির আর কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না সরকারি কর্মচারীরা।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 1 September 2025 15:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আশঙ্কায় সত্যি হল। ফের পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার (DA Case Hearing) শুনানি। সোমবার দুপুর দু’টোর পর সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে অতীতের মতো এদিনও ফের মামলা পিছিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
আদালত সূত্রের খবর, মামলার পরবর্তী শুনানি হতে পারে ৮ সেপ্টেম্বর। সেক্ষেত্রে দুর্গাপুজোর আগে ডিএ মামলার নিষ্পত্তির আর কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না সরকারি কর্মচারীরা।
এর আগে ২৬ অগস্ট এবং ১২ অগস্ট মামলার শুনানি থাকলেও তা হয়নি। বারবার মামলার শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় হতাশ সরকারি কর্মচারীরা। পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী পরিষদের রাজ্য সভাপতি দেবাশিস শীল বলেন, "এই নিয়ে ২৫ বার! ফের ডিএ মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল। আমাদের মনে হচ্ছে, আদালত চাইছে না দ্রুত নিষ্পত্তি হোক। তাই বোধহয় বারবার ডিএ মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে।"
২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল, মহার্ঘ ভাতা সরকারি কর্মীদের অধিকার। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দিতে হবে রাজ্যকে। সেই রায় চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল নবান্ন। কিন্তু তাতেও বিশেষ সুবিধা হয়নি। উল্টে শীর্ষ আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছিল, অন্তত ২৫ শতাংশ বকেয়া মেটাতেই হবে রাজ্যকে। সেই সময়সীমাও ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গিয়েছে। ফলে কর্মীদের ক্ষোভ, উৎকণ্ঠা দুই-ই বাড়ছে।
রাজ্য সরকারের দাবি, বকেয়া ডিএর অঙ্ক নির্ধারণে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কত টাকা আদতে প্রাপ্য, তার হিসেব কষতে আরও সময় দরকার। আদালতে সেই যুক্তি পেশ করেছে নবান্ন। কিন্তু শীর্ষ আদালতের প্রশ্ন স্পষ্ট—রাজ্যের বাইরে কর্মরত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীরা যদি কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পান, তবে বাংলার কর্মীরা কেন বঞ্চিত?
এই সওয়াল-জবাবের মধ্যেই সোমবার ফের শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ সরকারি কর্মচারীরা।