প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, ওড়িশা উপকূল থেকে শুরু করে বাংলাদেশের (Bangladesh) চট্টগ্রামের মধ্যে দাপট দেখাতে পারে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় 'শক্তি'(Cyclone Shakti)। তবে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বড় প্রভাব পড়তে পারে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 12 May 2025 19:29
দ্য ওয়াল বাংলায়: চলতি মাসের শেষেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে ঘূর্ণাবর্ত। শক্তি বাড়িয়ে আছড়ে পড়বে উপকূলে। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের নাম 'শক্তি' (Cyclone Shakti)। এর বড় প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের খুলনা এবং পশ্চিমবঙ্গে প্রভাব পড়তে পারে, এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশের আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল।
রিজিওনাল মেটারজিকাল সেন্টার (RMC) সূত্রে খবর, ১৬ থেকে ২২ মে'র মধ্যে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরের কাছে একটি নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। ২৪-২৬ মে'র মধ্যে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে।
প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, ওড়িশা উপকূল থেকে শুরু করে বাংলাদেশের (Bangladesh) চট্টগ্রামের মধ্যে দাপট দেখাতে পারে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় 'শক্তি'(Cyclone Shakti)। তবে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বড় প্রভাব পড়তে পারে। বাংলাদেশের খুলনা অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি এরাজ্যের এখনও আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। যদিও আবহাওয়া দফতরে মতে, ঘূর্ণাবর্ত ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে কিনা, হলেও কতটা শক্তিশালী হবে, তা এখনই স্পষ্ট করা যাচ্ছে না। তবে বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড়ের আভাস আগেই দিয়েছিল বাংলাদেশের আবহাওয়া সংস্থা। চলতি মাসের শেষেই জোড়া ঘূর্ণিঝড় বাংলায় আছড়ে পড়তে পারে বলে জানানো হয়েছিল। এই মে-তেই আমফান, আয়লার মতো ঘূর্ণিঝড় দেখেছে বাংলা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপকূলবর্তী এলাকা। সেই স্মৃতি কি ফিরে আসবে? কেন এই মে মাসেই কেন বারবার ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসে? আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময় সমুদ্রের জলের উষ্ণতা বৃদ্ধি অন্যতম একটি কারণ।
বৃহস্পতিবার থেকে জেলায় জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা ঝড়ো বাতাস বইবে। বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি এবং বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকবে। ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে আট জেলায়। এগুলি হল- উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া।
হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, সোমবার বিকেলের পর থেকে কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে (Weather Update)। তবে বৃহস্পতিবারের আগে গরম কমার বিশেষ সম্ভাবনা নেই। বরং এই কদিন কলকাতা (Kolkata) থেকে জেলা, সর্বত্র তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি থাকবে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণের ৬টি জেলায় তাপপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। জেলাগুলি হল-পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম। বুধবার থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলাতে।