প্রবল গতিতে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মান্থা’। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সপ্তাহের শুরু থেকেই দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে শুরু হবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। কলকাতা-সহ আশপাশের এলাকাতেও ভোগান্তি বাড়বে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 26 October 2025 17:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অতি গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে। রবিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ সেটি গোপালপুর থেকে প্রায় ৯২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল বলে জানাল আলিপুর আবহাওয়া অফিস। আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যেই এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এরপর ২৮ অক্টোবর সকাল নাগাদ প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে অন্ধ্র উপকূলের দিকে এগিয়ে যাবে।
সাইক্লোন ‘মান্থা’ ২৮ তারিখ অর্থাৎ মঙ্গলবার রাতের মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়ার কাছাকাছি স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে। ল্যান্ডফলের সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২৮ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যারা বর্তমানে সমুদ্রে রয়েছেন, তাদের ২৭ তারিখের মধ্যেই উপকূলে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আজ, রবিবার দুপুরের পর থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু এলাকায় আকাশ ছিল আংশিক মেঘলা। কোথাও কোথাও সামান্য বৃ্ষ্টি হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। এই বৃষ্টি আগামিদিনে বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ২৮ অক্টোবর থেকে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
২৯ অক্টোবর ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে। এরপর ৩০ ও ৩১ অক্টোবর উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে, বিশেষ করে মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। একই দিনে ওপরের জেলাগুলিতেও বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
এদিকে কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় ২৯ ও ৩০ তারিখ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যে জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। আবহাওয়া দফতরের পরামর্শ, উপকূলবর্তী এলাকার মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।