আগামী রবিবার, অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা হবে। তার আগে বিরোধী দলনেতার এই মন্তব্য যে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ঘিরে রাজনীতির ময়দানে নতুন করে উত্তাপ ছড়াবে, তা বলাই বাহুল্য।

শেষ আপডেট: 8 September 2025 17:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ন'বছর পর রবিবার অবশেষে রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এসএসসি নিয়োগ পরীক্ষা (Recruitment of SSC)। রবিবার নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের এই পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই কাটলেও স্বচ্ছ নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর অভিযোগ, “এটা কোনও শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নয়, বরং এক প্রহসন ।”
শুভেন্দুর দাবি, এই পরীক্ষায় প্রার্থীদের প্রকৃত যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “ওরা সবাইকে পাশ করাতে চাইছে। পাশের হার অস্বাভাবিকভাবে বেশি হবে। কারণ, ওদের হাতে ১৫ নম্বর রয়েছে। সেই নম্বরকে ঘিরেই হবে নতুন দুর্নীতি (Corruption)। বহু যোগ্য চাকরিপ্রার্থী বঞ্চিত হবেন। যারা অযোগ্য, যারা টাকার বিনিময়ে সুবিধা নিতে পারবে, তারাই চাকরি পাবে।”
অর্থাৎ, নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ফের সামনে আনলেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত, শিক্ষাক্ষেত্রে পুরনো কেলেঙ্কারির ছায়া এখনও কাটেনি। শুভেন্দুর মন্তব্যের পর অনেকের আশঙ্কা, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে রাজ্য ফের একবার বড়সড় বিতর্কের মুখে পড়তে পারে।
যদিও বাস্তবে প্রথম দফার পরীক্ষা নির্বিঘ্নে কেটেছে। সকাল থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে ভিড় জমিয়েছিলেন হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী। পরীক্ষা শেষে তাঁদের অনেকেই জানান, প্রশ্নপত্র ছিল সহজ ও মানানসই। এত দিনের অপেক্ষার পর নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা হওয়ায় তাঁরা স্বস্তি পেয়েছেন। অনেকে আশাও করেছেন, এই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার তাঁরা চাকরি পাবেন।
কিন্তু শুভেন্দুর বক্তব্যে ভর করে বিরোধী শিবির দাবি তুলছে, রাজ্য সরকারের স্বচ্ছ নিয়োগের আশ্বাসে ভরসা করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তাঁদের মতে, অতীতের দুর্নীতির দায় এখনও বর্তমান। আর সেটাকেই হাতিয়ার করে বিরোধী শিবির রাজ্য সরকারের উপর চাপ বাড়াতে চাইছে।
উল্লেখ্য, আগামী রবিবার, অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা হবে। তার আগে বিরোধী দলনেতার এই মন্তব্য যে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ঘিরে রাজনীতির ময়দানে নতুন করে উত্তাপ ছড়াবে, তা বলাই বাহুল্য।