২৮৪ আসনে নিজেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে কংগ্রেস। একাধিক বড় নাম রয়েছে এই তালিকায়।

অধীর চৌধুরি
শেষ আপডেট: 29 March 2026 20:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অবশেষে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল কংগ্রেস (Congress)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026) ২৮৪ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে তারা। রবিবার বিকেলে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রত্যাশা মতোই প্রার্থী করা হয়েছে অধীর রঞ্জন চৌধুরি (Adhir Chowdhury) এবং মৌসম নূরকে (Mausam Noor)।
বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে কেটে গিয়েছে বেশ কিছুদিন। ইতিমধ্যেই ধাপে ধাপে নিজেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বেশিরভাগ দল। ঘোষণার পরে শুরুতেই নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বামেরা। তারপরেই একে একে জানা যায় তৃণমূল এবং বিজেপি-র প্রার্থীদের নাম। যদিও, কংগ্রেসের তরফে প্রার্থী তালিকা নিয়ে ধিরে চলো নীতি নেওয়া হয়। অবশেষে একসঙ্গে ২৮৪ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে তারা। শনিবার এআইসিসি পর্যবেক্ষক গুলাম আহমেদ মীর ঘোষণা করেন, বাংলার আট আসন বাদে বাকি সব আসনে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে।
প্রত্যাশামতই তালিকায় নাম রয়েছে বেশ কিছু হেভিওয়েট প্রার্থীর। পাঁচ বারের সাংসদ অধীর চৌধুরি লড়ছেন বহরমপুর আসনে। পাশাপাশি, মালতিপুরে প্রার্থী হয়েছেন সম্প্রতি তৃণমূল ছেড়ে ঘরে ফেরা মৌসম নূর। উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়া থেকে ফের প্রার্থী হয়েছেন আলি ইমরান রামজ ওরফে ভিক্টর। কলকাতার বালিগঞ্জ আসনে প্রার্থী প্রয়াত কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্রর ছেলে রোহন মিত্র। রাসবিহারি আসনে লড়বেন আশুতোষ চ্যাটার্জি। ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে লড়বেন প্রদীপ প্রসাদ।
গত বিধানসভা নির্বাচনে বামেদের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করে কংগ্রেস। যদিও, জোট নিয়ে অসন্তোষ ছিল দুই দলের অন্দরেই। গত ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে প্রদেশ নেতাদের বৈঠকেই একা লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বৈঠকে ছিলেন রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। কর্মী-সমর্থকদের চাহিদাকে মান্যতা দিয়েই একা লড়ার সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয় দলের তরফে।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পরেই অধীর চৌধুরির জায়গায় শুভঙ্কর সরকারকে প্রদেশ সভাপতি করা হয়। শুরু থেকেই একা লড়ার বিষয়ে ইঙ্গিত দেন শুভঙ্কর সরকার। নির্বাচন ঘোষণার আগেই মোটামুটি পরিষ্কার হয়ে যায় জোট হচ্ছে না। এরপরেই, দলের অন্দরে প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করার কাজ শুরু হয়। অবশেষে, দুই দশক পরে একাই নির্বাচনে লড়ছে কংগ্রেস।