'ডুপ্লিকেট ইলেকটর ভেরিফিকেশন'-নামের এই অপশন নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। মূলত একই নামের একাধিক ব্যক্তিকে আলাদা করা চিহ্নিত করা, একই ব্যক্তির একাধিক ভোটার কার্ড চিহ্নিতকরণের জন্যই এই অপশন বিএলও অ্যাপে নিয়ে আসা হল।

গ্রাফিক্স দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 8 December 2025 13:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একই নামের একাধিক ব্যক্তি থাকা অস্বাভাবিক নয়, তেমনই একই ব্যক্তির একাধিক ভোটার কার্ড (SIR Voter Card) থাকাটাও অস্বাভাবিক নয়। তবে দ্বিতীয়টা বেআইনি এবং অনৈতিক। যদি কোনও ব্যক্তির নামে (ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে) একাধিক ভোটার কার্ড রয়ে যায় তাহলে যতক্ষণ না সেই ব্যক্তি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নিজের ডুপ্লিকেট কার্ডের কথা জানাচ্ছেন ততক্ষণ সেটা ধরা পরা একটু কষ্টসাধ্য ছিল এতদিন। তবে এবার পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)।
রাজ্যের এসআইআরের (SIR) কাজের মধ্যেই কমিশনের তরফে এমন এক অপশন নিয়ে আসা হয়েছে যাতে খুব সহজেই এমন ভুল (বা ইচ্ছাকৃত দুর্নীতি) ধরা যায়। ডুপ্লিকেট ভোটারের (SIR Duplicate Voter) খোঁজে নতুন অপশন থাকছে BLO অ্যাপে। 'ডুপ্লিকেট ইলেকটর ভেরিফিকেশন'-নামের এই অপশন নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। মূলত একই নামের একাধিক ব্যক্তিকে আলাদা করা চিহ্নিত করা, একই ব্যক্তির একাধিক ভোটার কার্ড চিহ্নিতকরণের জন্যই এই অপশন বিএলও অ্যাপে নিয়ে আসা হল।
কোনও ভোটারকে যদি নতুন এই অপশনের মাধ্যমে ডুপ্লিকেট ভোটার বলে দেখান হয়, তাহলে সেই ভোটারের সঙ্গে বিএলও নিজে দেখা করে সন্দেহ নিরসন করার চেষ্টা করবেন। স্বয়ং ভোটারের কাছ থেকেই জানতে চাওয়া হবে তার একই নামে অন্য কোথাও ভোটার কার্ড করানো আছে কিনা। ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে যদি অন্য কোথাও করানো কার্ড থেকে যায় তাহলে সেই ভোটারকে সুযোগ দেওয়া হবে কোনও এক জায়গার ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে দেওয়ার জন্য।
এক্ষেত্রে সেই ভোটার তার নিজের ইচ্ছামত যে কোনও একটি জায়গায় নাম রেখে অন্য জায়গার নাম কাটানোর জন্য ওই বিএলও-র কাছেই আবেদন করতে পারবেন (like declaration letter) এবং সেই আবেদন এর উপর ভিত্তি করে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। এক্ষেত্রে উক্ত ভোটার তার বর্তমান এপিক কার্ডের জেরক্স সহ আবেদন করবেন।
এদিকে, রবিবার কমিশনের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী, মৃত ভোটারের (Dead Voter) সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৩ লক্ষ ৯০ হাজার ৫৬৫। এখনও অবধি প্রায় ৯০ শতাংশেরও বেশি এনুমারেশন ফর্মের ডিজিটাইজেশনের (Enumeration Form) কাজ শেষ হয়ে গেছে। আর সেই হিসেবে কমিশনের (Election Commission) দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রবিবার সন্ধে পর্যন্ত আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ লক্ষ ৮৬ হাজার ৭৭৩।
কমিশনের বক্তব্য, যেহেতু এখনও একাধিক জেলায় এখনও আন কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যাটা আপলোড করা হচ্ছে না, তাই স্বাভাবিকভাবেই আসল সংখ্যাটা পাওয়া যাচ্ছে না। যে কারণে বেশ কয়েকজন বিএলও-র কাজের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন দিল্লির নিয়োগ করা স্পেশ্যাল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত (Subrata Gupta)।