
শেষ আপডেট: 6 September 2021 07:41
সত্যজিৎ রায়ের লেখা ‘লাফিং ডগ’ ব্রাউনিকে মনে আছে তো! শুধু অসমঞ্জবাবুর কুকুরই নয়, আমাদের ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি এনে দিতে পারে অনেক পশুপাখিই। সেই কথাটাই মনে করিয়ে দিলেন ভারতের আদিত্য শিরসাগর। তিনি ‘লাফিং স্নেক’-এর ছবি তুলে চমকে দিয়েছেন। ফোকলা মুখে বড়সড় হাঁ করে খিলখিলিয়ে হাসছে সাপ, এ ছবি বছরের সেরা আকর্ষণ। ভাইন স্নেক (Ahaetulla nasuta) মুখটাই এমন যে দেকে মনে হয় অট্টহাসি হাসছে। শ্রীলঙ্কা ও ভারতের পশ্চিমঘাট পাহাড়ি এলাকায় এই সাপদের দেখা মেলে। আসলে শিকার ধরার সময় বা শত্রুর মুখোমুখি হলে এরা বড় করে মুখ হাঁ করে, তখন মনে হয় এরা বুঝি ফিকফিক করে হাসছে।
বিরক্ত স্টারলিং
দক্ষিণ আফ্রিকার জঙ্গলে গাছের ডালে বসে আছে বিরক্ত স্টারলিং। মুখ গম্ভীর, দুচোখে প্রচণ্ড রাগ। আলোকচিত্রী অ্যান্ড্রু মায়েস বলেছেন, এমন রাগী মুখের বিরক্ত স্টারলিং আগে কখনও দেখিনি।
গম্ভীর আলোচনায় পেঙ্গুইনরা
ফকল্যান্ড আইল্যান্ডে গম্ভীর আলোচনায় ব্যস্ত দুই পেঙ্গুইন। খুবই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছিল, তখনই ক্লিক করেন ব্রিটিশ ফটোগ্রাফার ক্যারোল টেলর।
মজার সওয়ারি
এমন দুর্লভ মুহূর্তের ছবি ক্যামেরাবন্দি করার জন্য এখনই ডার্ক-জ্যান স্টিহাওয়ারকে নিয়ে চর্চা হচ্ছে। মজার সওয়ারি লেন্সবন্দি করেছেন তিনি। জিরাফের পিঠে চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে চঞ্চল বাঁদর। গাছ থেকে ঝুপ করে লাফ দিয়ে জিরাফকেই বাহন বানিয়ে ফেলেছে সে। আর জিরাফেরও তাতে খুব একটা আপত্তি নেই তা বোঝাই যাচ্ছে।
ঘ্যাঁঙর ঘ্যাঁং
পশ্চিমঘাট পাহাড়ি এলাকায় সবজেটে ব্যাঙ পোজ দিয়েছে, এ ছবি বছরের সেরা কমেডি ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। পোজ দেওয়া ব্যাঙের ছবি লেন্সবন্দি করেছে ভারতের আলোকচিত্রী গুরুমূর্তি।
আজ হরিণের তন্দুর খাব!
জিম করবেট ন্যাশনাল পার্কে বাঘিনী পারোর মেয়ের মজার ছবি তুলেছেন সিদ্ধার্থ আগরওয়াল। পেছনের দুপায়ে ভর করে গাছের ডাল আঁকড়ে ধরেছে ছোট্ট বাঘিনী। মনে হচ্ছে, কাঠ বয়ে নিয়ে যাচ্ছে রান্নার জন্য। আলোকচিত্রী কৌতুক করে বলেছেন, আজ হরিণের মাংসের স্পেশাল ডিশ হবে, তাই খোশমেজাজে কাঠ বইছে বাঘিনী।
হাই তুলছে বেবুন
বেবুন কি চোখের মেক আপ করেছে? হাই তোলার সময় টানা টানা চোখ দেখে মনে হচ্ছে য়েন কাজল পরছে। সৌদি আরবে হ্যামাড্রিয়াস বেবুনের ছবি লেন্সবন্দি করেছেন ফটোগ্রাফার ক্লিমেন্স গিনার্ড।
এমন আরও ছবি রয়েছে, যা মন ভাল করে দিতা বাধ্য।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'