১০ অক্টোবর রাতে কলেজ চত্বরে দ্বিতীয় বর্ষের এক মেডিক্যাল ছাত্রীর ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাত ৮টা নাগাদ তরুণী কলেজের গেট দিয়ে বের হচ্ছেন, পরে রাত ৯টার দিকে এক সহপাঠীর সঙ্গে ফের ক্যাম্পাসে ঢোকেন।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 15 October 2025 14:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুর্গাপুরের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে তরুণী ছাত্রীর ধর্ষণকাণ্ডে (Durgapur Incident) গ্রেফতার সহপাঠীর পক্ষে আদালতে দাঁড়াতে অস্বীকার করলেন স্থানীয় আইনজীবীরা (Lawyers)। বুধবার ওই অভিযুক্তকে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। তার আগে এই একই ঘটনায় গ্রেফতার (Arrest) হওয়া পাঁচজনের পক্ষেও সওয়াল করতে অস্বীকার করেছিলেন ওই আদালতের আইনজীবীরা।
দুর্গাপুর বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দেবব্রত সাঁই জানিয়েছেন, এমন জঘন্য অপরাধের অভিযুক্তদের হয়ে কেউ আদালতে লড়বেন না।
১০ অক্টোবর রাতে কলেজ চত্বরে দ্বিতীয় বর্ষের এক মেডিক্যাল ছাত্রীর ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সিসিটিভি ফুটেজে (CCTV Footage) দেখা যায়, রাত ৮টা নাগাদ তরুণী কলেজের গেট দিয়ে বের হচ্ছেন, পরে রাত ৯টার দিকে এক সহপাঠীর সঙ্গে ফের ক্যাম্পাসে ঢোকেন।
ঘটনার পরপরই পুলিশ একে একে পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। সহপাঠীকে প্রথমে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। মঙ্গলবার নির্যাতিতা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দেন, এরপর পুলিশ ওই সহপাঠীকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে। তার পরেই তাকে গ্রেফতার করা হয়। ইতিমধ্যে পাঁচ জনেরই ডিএনএ পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে। এখন রিপোর্টের অপেক্ষায় তদন্তকারীরা।
মঙ্গলবার এই ইস্যুতে সাংবাদিক সম্মেলন করে দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার সুনীল চৌধুরী বলেন, “নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, তাঁকে একজন ধর্ষণ করেছে। বাকিদের ভূমিকা কী, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দুর্গাপুর ও আশপাশের এলাকায়। ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব সাধারণ মানুষ থেকে ছাত্রছাত্রীরাও।
এরই মধ্যে এই সহপাঠীকে নিয়ে আরও বড় অভিযোগ উঠেছে। সন্দেহ, সহপাঠী যুবক প্রথমে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছিল নির্যাতিতার। কিন্তু সেই ঘটনা নিজেই বারবার লুকোতে চেয়েছেন নির্যাতিতা। ঠিক সেখানেই নতুন সন্দেহ তৈরি হয়েছে পুলিশের কাছে।