
শেষ আপডেট: 7 July 2020 18:30
সভারিন ফার্মা জানিয়েছে, প্রতি মাসে প্রায় ৯৫ হাজার ওষুধের ভায়াল তৈরি করার ক্ষমতা রয়েছে তাদের। কোন কোম্পানিতে কত পরিমাণ ওষুধ তৈরি হচ্ছে, তাদের সেফটি ট্রায়ালের রিপোর্ট কী, খুঁটিনাটি তথ্য জানতে টাস্ক ফোর্স তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল (সিডিএসসিও)। সিপলা জানিয়েছে, তাদের তৈরি রেমডেসিভিরের জেনেরিক ভার্সন সিপ্রেমির সেফটি ট্রায়ালের রিপোর্টও ভাল।
সিপলা আগে জানিয়েছিল প্রতি ভায়াল (১০০ মিলিগ্রাম) সিপ্রেমি ওষুধের দাম পড়বে পাঁচ হাজার টাকার কাছাকাছি। সম্প্রতি তারা জানিয়েছে প্রতি ভায়াল চার হাজার টাকা দামে বাজারে আনা হবে। তবে দাম আরও কমানোর ভাবনা রয়েছে তাদের। ইতিমধ্যেই রেমডেসিভিরের জেনেরিক ভার্সন ডেসরেম ভারতের বাজারে আনছে আন্তর্জাতিক ড্রাগ নির্মাতা সংস্থা মাইল্যান এনভি। ড্রাগ কন্ট্রোলের অনুমোদনও পেয়ে গেছে মাইল্যান। ভারতের বাজারে তারা রেমডেসিভিরের দাম রেখেছে প্রতি ভায়ালে ৪৮০০ টাকা। মনে করা হচ্ছে, সেই প্রতিযোগিতার দৌড়েই পাঁচ হাজার টাকা থেকে দাম কমিয়েছে সিপলা।
করোনা থেরাপিতে অ্যান্টি-রেট্রোভিয়াল ওষুধ রেমডেসিভির তৈরির দৌড়ে রয়েছে হায়দরাবাদারে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি হেটেরো ল্যাবও। হেটেরো গ্রুপের চেয়ারম্যান ডক্টর পার্থ সারথি রেড্ডি জানিয়েছেন, ড্রাগ কন্ট্রোলের অনুমোদনের পরে এই ওষুধের সেফটি ট্রায়াল করা হয়েছে। ল্যাবরেটরি টেস্টের পরেই করোনা রোগীদের উপর কম ডোজে প্রয়োগ করে দেখা হয়েছে। ড্রাগ কন্ট্রোলের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, করোনা পরীক্ষায় টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে এমন রোগী, হাসপাতালে ভর্তি সঙ্কটাপন্ন রোগীর চিকিৎসায় জরুরি ভিত্তিতে এই ওষুধের প্রয়োগ করা যাবে। তবে রোগীর শারীরিক অবস্থা ও আনুসঙ্গিক অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখে তারপরেই। হেটেরো গ্রুপ জানিয়েছে, অন্তত ২৫ হাজার ভায়াল তৈরি হয়েছে কোভিফোরের। যার মধ্যে ১৫ হাজার ওষুধের ভায়াল পাঠানো হয়েছে বৃহন্মুম্বই পুরসভায় ও ১০ হাজার পাঠানো হচ্ছে তামিলনাড়ুতে। প্রতি ১০০ মিলিগ্রাম ভায়ালের দাম পড়বে ৫৪০০ টাকা। আগামী তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে প্রায় এক লাখ কোভিফোর ওষুধের ভায়াল বাজারে নিয়ে আসবেন তাঁরা।