অভিযোগ, তথ্যগত অংসগতি দেখিয়ে প্রথমে শুনানি তারপর অ্যাডজুডিকেশানে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল ওই বধূকে। সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বের হলে দেখা গেল নামটাই বাদ হয়ে গেছে।

শেষ আপডেট: 26 March 2026 19:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: ২০০২ সালের তালিকায় নাম ছিল। জন্মের শংসাপত্র, মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড, পাসপোর্ট, সবকিছুই আছে। স্বামী-মা-বাবা-ভাইবোন সবাই ভোটার, সব কিছু থাকলেও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেল চুঁচুড়ার বধূ শর্মিষ্ঠা বেগম ঘোষের!
অভিযোগ, তথ্যগত অংসগতি দেখিয়ে প্রথমে শুনানি তারপর অ্যাডজুডিকেশানে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল ওই বধূকে। সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বের হলে দেখা গেল নামটাই বাদ হয়ে গেছে। শর্মিষ্ঠার পরিবারের অভিযোগ, ভোটারদের পাশে থাকার বদলে হয়রানি করে তাঁরা যে বৈধ ভোটার তা প্রমাণ করতে ভোটারদের কোর্টেই বল ঠেলে দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
শর্মিষ্ঠার জন্ম চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে। তাঁর জন্মের শংসাপত্র আছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড রয়েছে। মহসিন কলেজে পড়াশোনা করেছিলেন, তার শংসাপত্র রয়েছে। রয়েছে বিবাহের রেজিস্ট্রির তথ্য ও পাসপোর্ট। সর্বোপরি ২০০২ সালের এসআইআর তালিকায় নামও রয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁর নাম ডিলিট করা হয়েছে।
শর্মিষ্ঠার স্বামী শেখ নাসিরউদ্দিনের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন এসআইআর শুরুর সময় যা বলেছিল সেগুলো পূরণ করা সত্ত্বেও ভোটারদের নাম বাদ যাচ্ছে। তিনি বলেন, "যাঁদের নাম ডিলিট হয়েছে তাঁদের ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে বলা হচ্ছে কমিশনের পক্ষ থেকে। কিন্তু সেটা কীভাবে কোথায়, অনলাইন না অফলাইন সে বিষয়ে স্পষ্ট করে জানানো হচ্ছে না। যে ভোটারদের ভোটে সরকার নির্বাচিত হয়েছে, সেই ভোটারদেরই এখন দায় তারা বৈধ ভোটার কিনা সেটা প্রমাণ করার।নির্বাচন কমিশন সেই দায় ঠেলে দিচ্ছে ভোটারদের কাঁধে।"
পরিবারের সবার নাম থাকলেও শর্মিষ্ঠার নাম বাদ চলে গেছে। এই নির্বাচনে তাঁর আর ভোট দেওয়া হয়ে উঠবে কিনা, এটা নিয়েই এখন সংশয়ে শর্মিষ্ঠা।