
শেষ আপডেট: 15 October 2021 18:50
দলকে খেতাব এনে দিয়ে অবসর নিতে পারেন ধোনি।
শুক্রবার দুবাইতেও একই ঘটনা দেখা গিয়েছে। ধোনির দলের দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (৩২) ও ফাফ ডুপ্লেসি (৫৯ বলে ৮৬) দারুণ খেলে আসল কাজ সেরে দিয়েছেন। নাইটদের কোনও বোলারকে মাথায় তুলতে দেননি। তারপর রবীন উত্থাপা (১৫ বলে ৩১) ও মঈন আলি (২০ বলে ৩৭) ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের রানকে কঠিন জায়গায় নিয়ে গিয়েছেন। নারিন ছাড়া কেউ দাঁত ফোটাতে পারেননি। ব্যাটিংয়েও সেই একই অবস্থা। নাইটদের দলের দুই ওপেনারের স্বপ্নের ইনিংসেও কোনও হেরফের ঘটেনি। শুভমান গিল ৪৩ বলে ৫১ এবং নতুন তারকা ভেঙ্কটেশ আইয়ার ৩২ বলে ৫০ রান মরগ্যানদের জয়ের স্বপ্ন দেখালেও বাকিরা ডাহা ফেল। https://twitter.com/cricketnext/status/1449075969222791170 বরং চেন্নাই দলের শার্দুল ঠাকুর ও জস হ্যাজেলউডের কাছে বশ্যতা স্বীকার করেছেন নীতিশ রানা, সুনীল নারিন, ইয়ন মরগ্যানরা। কেউই সুবিধে করতে পারেননি। দীনেশ কার্তিক ও শাকিবকে ফেরান ধোনির স্যার জাদেজা। দুই অঙ্কের রানে বাকি আট ব্যাটসম্যানের মধ্যে শুধু গিয়েছেন শিবম মাভি ও লকি ফার্গুসন। তাঁদের প্রচেষ্টা কোনও কাজে আসেনি। না হলে শেষ ছয় বলে জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩১ রান। তার মানে পাঁচটি ছয় মারতে হতো তাঁদের। https://twitter.com/IPL/status/1449079675251167234 পুরো নাইট দল তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। তাদের বিসর্জনই হয়েছে এদিন ম্যাচে। ধোনির অধিনায়কত্ব নজর কেড়ে নিয়েছে। এদিন স্বপ্নের বোলিং উপহার দিয়েছে চেন্নাইয়ের বোলাররা। ব্যাটসম্যানদের মতোই সেরা ক্রিকেট খেলেছেন। করোনা আবহে দীর্ঘদিন পরে মাঠে কার্যত ১০০ শতাংশ দর্শকের উপস্থিতিতে দুবাইতে আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচ হয়েছে। https://twitter.com/IPL/status/1449075749596454918 এদিন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়সহ বোর্ড কর্তাদের সামনে ধোনির জয়গান সকলেই গেয়েছেন। সারা গ্যালারি তাঁকে কুর্নিশ জানিয়েছে। মাঠে নামার আগেই তিনি নজির গড়েছিলেন। বিশ্বের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে ৩০০টি টোয়েন্টি ২০ ম্যাচে দলকে অধিনায়কত্ব করলেন। এই নিয়ে খেলার আগে ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ সাক্ষাৎকার নিতে গেলে দর্শকদের চিৎকারে কিছুই শুনতে পাননি ধোনি। বিশপকে ধোনি বলে বসেন, ‘‘আমি কিছু শুনতে পাচ্ছিনা। ' এরপরেই তিনি যোগ করেন, ‘আমরাও প্রথমে বল করতাম। এই পিচে বল প্রথমে কিছুটা থমকে আসে। ধীরে ধীরে পিচটা থিতু হয়।' পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'