
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 21 December 2024 22:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সূদুর জাপানে মোটা বেতনের চাকরি! লোভ সামলাতে না পেরে ১৪ লাখ টাকা দিয়ে প্রতারিত যুবক পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। অভিযোগ, পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি।
ওই মামলাতেই শনিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়ল পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিস সুপারকে দ্রুত তদন্ত শেষ করে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।
ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার অশোক নগরের। সেখানকার কল্যানগড়ের বাসিন্দা রাজা ভট্টাচার্য আদালতকে জানান, গত বছরের শুরুর দিকে বাগদার বাসিন্দা সুদীপ বিশ্বাস ও তাঁর ভাই সুমন বিশ্বাসের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। সুদীপ জাপানের বাসিন্দা। সেই সূত্রেই জাপানের দূতাবাসে তাঁর বিশেষ পরিচিতি রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
পাশাপাশি টাকার বিনিময়ে সে দেশের ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখান তিনি। সেই মত গত বছরের জুন মাসে সুদীপের ভাই সুমনকে মামলাকারী তাঁর পাসপোর্ট এবং অগ্রিম বাবদ ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫০০ টাকা দেন। অগ্রিম দেওয়ার পর সুদীপ রাজাকে জাপানের একটি ভিসার ছবি দেখিয়ে বিশ্বাস অর্জন করে বলে অভিযোগ।
মামলাকারীর আরও দাবি, ওই ভিসার ছবি দেখে আশ্বস্ত হয়ে সুদীপের দেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ধাপে ধাপে তিনি মোট ১৩ লক্ষ ৮৯ হাজার টাকা জমা করেন। এর কিছু দিন পর থেকে সুদীপ ও তাঁর ভাই মামলাকারীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত মামলাকারী বুঝতে পারেন তিনি প্রতারিত হয়েছেন।
এরপর টাকা ও পার্সপোর্ট ফেরত পেতে বাগদা থানায় অভিযোগ জানান ওই যুবক। কিন্তু পুলিশকে লিখিত অভিযোগ জানানোর পরও কোনও সুরাহা হয়নি। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট(যে অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করা হয়েছিল) ফ্রিজ করতেও পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ। ওই মামলাতেই এদিন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে দ্রুত পদক্ষেপ করে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।