এর আগে নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, অভিনেতা ও সাংসদ দেব (দীপক অধিকারী), ক্রিকেটার মহম্মদ শামি-সহ একঝাঁক পরিচিত ব্যক্তিত্বকে শুনানি নোটিস পাঠানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। প

শেষ আপডেট: 18 January 2026 23:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র চন্দ্র কুমার বসুকে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) শুনানিতে ডাকা হয়েছে (Chandra Bose hearing notice)। নেতাজির প্রপৌত্রকেও কি তাহলে এবার ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ (Netaji family voter notice) দিতে হবে? তা নিয়ে যথেষ্ট তোলপাড় শুরু হয়েছে। তারপরই চাপের মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। তাঁকে কেন ডাকা হল, সেই বিষয়টি ব্যাখ্যা করল কমিশন।
এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপে বুথ লেভেলের অফিসাররা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিতরণ করেন এবং ভোটাররা পূরণ করে ফেরত দেন। সেই ফর্মের ভিত্তিতেই খসড়া তালিকা তৈরি হয়। তথ্যগত অসঙ্গতি বা পূরণে ত্রুটি থাকলে কমিশন ভোটারদের শুনানির জন্য নোটিস পাঠায়। চন্দ্র বসুও সেই নোটিস পেয়েছেন।
প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন উঠেছে, নেতাজির প্রপৌত্রকেও কি নাগরিকত্ব প্রমাণ দিতে হবে? অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল প্রকাশ করেছেন। এমন বিতর্কের মধ্যেই কমিশন জানিয়েছে, জমা করা এনুমারেশন ফর্মে ‘লিঙ্কেজ’ অংশ খালি থাকার কারণেই চন্দ্র বসুকে শোনানিতে ডাকা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, লিঙ্কেজ অংশে ভোটারকে উল্লেখ করতে হয়, তার নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় আছে কি না। যদি থাকে, তবে পরিবারের সদস্য বা নিকট আত্মীয়দের তথ্য দিতে হয়। চন্দ্র বসু ওই অংশ পূরণ করেননি। কমিশন জোর দিয়ে জানাচ্ছে, সকল ভোটার সমান, নেতাজির পরিবারের সদস্য হলেও তাঁর জন্য নিয়মের কোনও বিশেষ ভাগাভাগি নেই।
এটি অবশ্য নতুন ঘটনা নয়। এর আগে নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, অভিনেতা ও সাংসদ দেব (দীপক অধিকারী), ক্রিকেটার মহম্মদ শামি-সহ একঝাঁক পরিচিত ব্যক্তিত্বকে শুনানি নোটিস পাঠানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল বারবার এই বিষয় নিয়ে কমিশন ও বিজেপিকে নিশানা করেছে। এই প্রেক্ষাপটে চন্দ্র বসুর শুনানি নোটিসও নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।