একই সঙ্গে বাংলায় বিজেপির সরকার গঠনের দাবি সম্পর্কে শাহের বক্তব্যকে কটাক্ষ করে কুণালের প্রতিক্রিয়া, “অমিত শাহ মা-দুর্গার সামনে দাঁড়িয়ে অসুরের দিকে তাকিয়ে বলছেন— আমাদের সোনার সরকার গড়তে দাও! কিন্তু মা দুর্গা বাংলায় অসুরের সরকার হতে দেবে না, মা-দুর্গার আশীর্বাদে চতুর্থবার সরকার গড়বেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।"

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 26 September 2025 15:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুর্গাপুজো (Durga Puja) উপলক্ষ্যে কলকাতায় এসে কয়েকটি পুজোর উদ্বোধন করে শুক্রবার অমিত শাহ (Amit Shah) দাবি করেছেন, আগামী বছর বাংলায় বিজেপি ‘সোনার সরকার’ গড়বে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শুক্রবার বিকেলে তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে কেন্দ্রকে কঠোর আক্রমণ শানালেন শাসকদলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) ও রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা (Shashi Panja)।
তাঁদের অভিযোগ, বীরভূমের অন্তঃসত্ত্বা সোনালী বিবিকে বাংলাদেশি বলে তাড়িয়ে দিয়েছিল কেন্দ্র। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) রায় প্রমাণ করেছে, এই সিদ্ধান্ত ছিল অন্যায়। কুণালের কথায়, “একজন অন্তঃসত্ত্বা মাকে পরিযায়ী দেখিয়ে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছিল। আদালতের রায়ে প্রমাণ হল বিজেপির নারী বিরোধী, বাংলাবিরোধী নীতি।”
তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনায় কেন্দ্রের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত। একই সঙ্গে কটাক্ষ করে কুণাল বলেন, “বাংলা বলা কি অপরাধ? সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব বিএসএফ-এর, তারা বেছে বেছে বাংলাভাষীদের বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে সেদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছে।"
প্রসঙ্গত, সোনালী ইস্যুতে এদিন হাইকোর্ট জানিয়েছে, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সোনালী বিবি-সহ বীরভূমের দুই পরিবারের ছ’জনকে বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে। তারপরই পরিযায়ী ইস্যুতে এদিন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আরও সুর চড়াল তৃণমূল।
একই সঙ্গে বাংলায় বিজেপির সরকার গঠনের দাবি সম্পর্কে শাহের বক্তব্যকে কটাক্ষ করে কুণালের প্রতিক্রিয়া, “অমিত শাহ মা-দুর্গার সামনে দাঁড়িয়ে অসুরের দিকে তাকিয়ে বলছেন— আমাদের সোনার সরকার গড়তে দাও! কিন্তু মা দুর্গা বাংলায় অসুরের সরকার হতে দেবে না, মা-দুর্গার আশীর্বাদে চতুর্থবার সরকার গড়বেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। বিজেপির সোলার সরকার বাংলায় হবে না।”
বিদ্যাসাগরের প্রসঙ্গ টেনে শাসক দলের মুখপাত্র নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে ইঙ্গিত করে বলেন, “যে মঞ্চে দাঁড়িয়ে অমিত শাহ বিদ্যাসাগর নিয়ে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন, সেই মঞ্চেই এমন একজন ছিলেন যিনি ২০১৯ সালে শাহের বিরুদ্ধেই বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার প্ররোচনার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।”
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিন প্রসঙ্গে শাসক শিবিরের অবস্থান, আদালত যেটা ঠিক করেছে সেটাই চূড়ান্ত। “আদালত মনে করেছে, তাই জামিন দিয়েছে। দল হিসেবে আলাদা করে প্রতিক্রিয়া নেই।”