মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের প্রশ্ন, ৩০ মে'র নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট করে চিহ্নিত অযোগ্যদের কেন নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে স্পষ্ট করে বারণ করা হল না?

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 1 July 2025 12:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নতুন পরীক্ষা বিধি (New Exam Process) নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রশ্নের মুখে পড়ল এসএসসি (SSC) এবং রাজ্য সরকার। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের প্রশ্ন, 'সুপ্রিম কোর্ট যখন পুরনো বিধিতে নিয়োগের কথা বলেছে তাহলে কেন নতুন বিধি আনা হল?' এই ইস্যুতে রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্যের উচ্চ আদালত। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, নতুন বিধি এনে জটিলতা সৃষ্টি করা হয়েছে। আগামী সোমবারের মধ্যে এই বিষয়ে রিপোর্ট দিতে হবে এসএসসি এবং রাজ্যকে।
২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনা মুখে পড়েছিল রাজ্য সরকার এবং এসএসসি। তবে সেই চাকরি বাতিল করে নতুন করে নিয়োগের কথা বলেছিল দেশের শীর্ষ আদালত। সেই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার, এসএসসি নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। পরীক্ষার নিয়মেও বদল আনা হয়। এই বদল ইস্যুতেই চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে।
মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের প্রশ্ন, ৩০ মে'র নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট করে চিহ্নিত অযোগ্যদের কেন নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে স্পষ্ট করে বারণ করা হল না? আগামী সোমবারের মধ্যে রাজ্য এবং কমিশনকে এই ব্যাপারে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে এক সংবাদমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দিয়ে সিপিএম নেতা তথা আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য রাজ্য সরকারকেই নিশানা করেছেন।
বর্ষীয়ান আইনজীবীর বক্তব্য, বারবার এইভাবে ইচ্ছাকৃত জটিলতা সৃষ্টি করে আদতে রাজ্য সরকারই নিয়োগ দিতে চাইছে না। বিকাশের কথায়, 'পরিকল্পিতভাবে এমন কাজ করা হচ্ছে যাতে নিয়োগ না হয়। এটাই একমাত্র উদ্দেশ্য।'
এই নতুন বিজ্ঞপ্তিতে কী রয়েছে?
নতুন বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষকতার পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং ক্লাস নেওয়ার দক্ষতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে ৬০ নম্বরের। আগে এটি ছিল ৫৫ নম্বরের। শিক্ষাগত যোগ্যতার উপরে থাকবে সর্বোচ্চ ১০ নম্বর। আগে এটি ছিল ৩৫ নম্বর। শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার ওপর দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ ১০ নম্বর। বিধি অনুসারে, প্যানেল এবং ওয়েটিং লিস্টের মেয়াদ থাকবে প্রথম কাউন্সেলিংয়ের পর থেকে এক বছর পর্যন্ত।