বিএলও হিসেবে ২৬২ নম্বর বুথের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁকে। জানা গেছে, রজনীকান্ত নিজে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর ২০১৪ সালে প্রথমবার ভোটার তালিকায় নাম উঠেছিল তাঁর। কিন্তু ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর বাবা-মায়েরও নাম নেই।
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 29 October 2025 18:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো, নদিয়া: রাজ্যে ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন (SIR) শুরুর পরেই ব্যতিক্রমী ঘটনা সামনে এল শান্তিপুরে। জানা গেছে, স্থানীয় এক বুথ লেভেল অফিসার রজনীকান্ত পাল ও তাঁর পরিবারের নাম নেই ২০০২ সালের ভোটার তালিকায়। রজনীকান্ত কালীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। বিএলও হিসেবে ২৬২ নম্বর বুথের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁকে। জানা গেছে, রজনীকান্ত নিজে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর ২০১৪ সালে প্রথমবার ভোটার তালিকায় নাম উঠেছিল তাঁর। কিন্তু ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর বাবা-মায়েরও নাম নেই।
শান্তিপুর থানার অন্তর্গত ফুলিয়াপাড়া এলাকায় তাঁর বাড়ি। তাঁর পরিবারের নাম ভোটার তালিকায় নেই কেন? এই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। রজনীকান্ত জানান, তাঁর বাবা টব তৈরির কাজ করতেন এবং ঘুরে ঘুরে থাকতেন। স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় তাঁদের নাম পরে তালিকায় ওঠে। তিনি বলেন, ২০০২ এর তালিকায় আমার নাম থাকার কথা নয়। আমার মাও মারা গেছে। আমার বাবা আছেন। তবে ২০০২ এর তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। আমি নিজে থেকে বিএলও হইনি। সরকার আমাকে এই দায়িত্ব দিয়েছে। তবে সমস্ত তথ্য যখন চেয়েছে সব আমি জানিয়ে দিয়েছি।"
শান্তিপুরের বিডিও সন্দীপ ঘোষ জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সরকারি কর্মীদেরই বিএলও করা হয়েছে। ২০০২ সালের তালিকা সংক্রান্ত নির্দেশ পরে এসেছে। তারপরেই রজনীকান্ত পালের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে এই ঘটনা বিডিও অফিসের গাফিলতি বলে মানতে চাননি তিনি। তাঁর কথায়, "নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছি।"