দু'দিন যেতেই সোমবার থেকেই উঠছে একের পর এক অসন্তোষের সুর। নিত্যযাত্রীদের অনেকেই ভেবেছিলেন, বেশি ভাড়া দিয়েও একটু স্বস্তিতে পৌঁছতে পারবেন কর্মস্থলে। কিন্তু বাস্তব চিত্র পুরোপুরি উল্টো।
.jpg.webp)
শেষ আপডেট: 8 September 2025 11:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর অবশেষে চালু হয়েছে শিয়ালদহ-বনগাঁ এসি লোকাল। নিত্যযাত্রীদের কাছে বিষয়টি ছিল একেবারে সুখবরের মতো। মনে হয়েছিল, এবার অন্তত ভিড়ের চাপে দমবন্ধ অবস্থা থেকে খানিকটা মুক্তি মিলবে। কিন্তু মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই যাত্রীদের অভিযোগ, আরাম নয়, এসি লোকালও হয়ে উঠেছে দমবন্ধ ভ্রমণের প্রতিচ্ছবি।
শুক্রবার সকাল থেকে চালু হয়েছে বনগাঁ এসি লোকালের পরিষেবা। দু'দিন যেতেই সোমবার থেকেই উঠছে একের পর এক অসন্তোষের সুর। নিত্যযাত্রীদের অনেকেই ভেবেছিলেন, বেশি ভাড়া দিয়েও একটু স্বস্তিতে পৌঁছতে পারবেন কর্মস্থলে। কিন্তু বাস্তব চিত্র পুরোপুরি উল্টো। ভিড়ের চাপে দাঁড়িয়ে থাকা দায়, শ্বাসকষ্টের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন অনেকেই। বিশেষ করে সকালবেলার ডাউন ট্রেনে তিলধারণের জায়গা নেই। গেট পর্যন্ত ঠাসা ভিড়ের কারণে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। কেউ কেউ আবার এসি ট্রেন ছেড়ে জেনারেলের দিকেই ঝুঁকেছেন আবার।
বনগাঁ থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত এই এসি লোকালের ভাড়া প্রায় ১২৪ টাকা, হাবড়া থেকে শিয়ালদহ ৯০ টাকা। প্রথমদিকে অনেকেই মনে করেছিলেন, ভাড়া কম হলে যাত্রীরা বেশি উপকৃত হতেন। কিন্তু এত ভাড়াতেও ভিড় যে কমছে না, তা স্পষ্ট। অনেকের মতে, যেহেতু শাটল ট্রেন কম পাওয়া যায়, তাই স্বাভাবিকভাবেই যাত্রীরা ভিড় জমাচ্ছেন এসি লোকালে।
তবে যাত্রীদের মধ্যে আরেকটি অভিমতও শোনা যাচ্ছে। তাঁদের দাবি, ভাড়া যখন এতটা বেশি, তখন অন্তত আরামদায়ক যাত্রার নিশ্চয়তা চাই। ভিড় যদি জেনারেল ট্রেনের মতোই হয়, তাহলে এসি লোকালের বিশেষত্ব কোথায়? অনেকে আবার পরামর্শ দিচ্ছেন, এই সমস্যার সমাধান কেবল অতিরিক্ত এসি ট্রেন চালু করলেই সম্ভব। তবে আপ ট্রেনে ভিড় তুলনামূলক কম হচ্ছে বলেই জানিয়েছেন অনেক নিত্যযাত্রী। তাই সকালবেলার অফিস সময়ের ভিড় নিয়ন্ত্রণে বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।