
শেষ আপডেট: 11 October 2023 18:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্প্রতি বঙ্গ বিজেপির অন্দরে জেলায় জেলায় ঘটেছে সাংগঠনিক রদবদল। নেতৃত্বর এই রদবদলেই বিস্তর পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সম্প্রতি সরবছিলেন একাংশ কর্মী। এবার এই বিষয়েই রীতিমতো তুলকালাম কাণ্ড বেঁধে গেল বিজেপির সল্টলেকের অফিসে।
সূত্রের খবর, বুধবার সন্ধের মুখে বারাসত সাংগঠনিক জেলার একাংশ কর্মী পৌঁছন সল্টলেকের অফিসে। বারাসত সাংগঠনিক জেলার নবনিযুক্ত সভাপতি তরুণকান্তি ঘোষকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি তোলেন তাঁরা। বিক্ষোভ সামলাতে গিয়ে সল্টলেক অফিসের একাংশ কর্মী রীতিমতো নাস্তানাবুদ হন। বিক্ষোভকারীদের ঠেকাতে বন্ধ করে দেওয়া হয় পার্টি অফিসের প্রধান ফটক। বাইরের দরজায় রীতিমতো লাথি মারতে থাকেন দলেরই বিক্ষুদ্ধ কর্মীরা। তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্বর সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বর আঁতাতের অভিযোগও তোলেন তাঁরা।
গোটা ঘটনাকে ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। যদিও এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বর তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অবিলম্বে তাঁদের দাবি মানা না হলে অর্থাৎ বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদ থেকে তরুণকান্তি ঘোষকে অপসারণ না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপির বিক্ষুদ্ধ কর্মীরা।
বিক্ষুদ্ধ বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, রাজ্যে দলকে শেষ করতেই তরুণকান্তি ঘোষের মতো তৃণমূল ঘনিষ্ট নেতাকে জেলা সভাপতির পদে বসানো হয়েছে। অবিলম্বে তরুণকান্তিকে পদ থেকে অপসারিত করে প্রাক্তন জেলা সভাপতি তাপস মিত্রকে ওই পদে ফেরানোর দাবি তোলেন তাঁরা।
তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির একাংশ নেতার গোপন বোঝাপড়া নিয়েও সরব হন তাঁরা। বিক্ষুদ্ধদের বক্তব্য, বাংলায় বিজেপিকে শেষ করার জন্য দলের মধ্যেই রয়েছে বেনোজল। তাদেরই অন্যতম ওই তরুণকান্তি। কর্মীদের বিক্ষোভকে ঘিরে পার্টি অফিসের সামনে রীতিমতো তুলকালাম কাণ্ড বেঁধে যায়। বিষয়টিকে ঘিরে অস্বস্তিতে রাজ্য নেতৃত্ব। যদিও এ বিষয়ে সন্ধে পর্যন্ত বিজেপির কোনও নেতার প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
গেরুয়া শিবিরের কোন্দল প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র কটাক্ষ ধেয়ে এসেছে শাসক শিবির থেকে। তৃণমূল নেতৃত্বের কটাক্ষ, "নিজেদের দলটাই সামলাতে পারে না, এরা নাকি বাংলা দখল করবে!"